হোম > জাতীয়

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে বিল পাস

বিরোধী দলের আপত্তি

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ পরিস্থিতিতে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে আলাদা চারটি বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। এই বিধান নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি থাকলেও তা কন্ঠভোটে নাকচ হয়।

এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি ছিল না। দলীয় প্রতীকের নির্বাচনের বিধান বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ বিলও বৃহস্পতিবার পাস হয়েছে।

মূলত, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আলাদা অধ্যাদেশের মাধ্যমে ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘উপযুক্ত ব্যক্তিকে’প্রশাসক নিয়োগের বিধান যোগ করা হয়। এরপরে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধানও সংশ্লিষ্ট আইনগুলো থেকে বাদ দেওয়া হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করতে বৃহস্পতিবার সংসদে স্থানীয় সরকার (জেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল ও স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল ও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল পাস হয়।

প্রশাসক নিয়োগের বিধানের বিরোধিতা

এসব বিলে বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগের বিধানে আপত্তি জানান বিরোধী দলের সদস্যরা। সিটি করপোরেশন (সংশোধন) বিলে আপত্তি জানিয়ে এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বলেন, এটি কালো আইন হিসেবে থাকবে।

অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্ট পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতিতে এ বিধান করেছিল—উল্লেখ করে হান্নান মাসউদ বলেন, এখন বিশেষ পরিস্থিতি বলতে কি দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে না পারলে নাকি অবৈধ সুবিধা না দিলে অপসারণ করা হবে, সে ব্যাখ্যা নেই। এটা গণতন্ত্রের ছুরিকাঘাত। তিনি প্রশ্ন রাখেন, উপযুক্ত ব্যক্তি বলতে কি দলীয় নেতা নাকি লাঠিয়াল নাকি মন্ত্রী–এমপিদের সন্তান হলেই হবে।

জেলা পরিষদ সংশোধন বিলে আপত্তি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর গাজী এনামুল হক বলেন, বিলের সংশোধনীটি সংবিধানের তিনটি ধারায় সুনির্দিষ্ট ব্যত্যয় ঘটেছে। তিনি এ সংক্রান্ত একাধিক মামলার রায় তুলে ধরে বলেন, নির্বাচনি প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ অবৈধ। স্থিতিশীল সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে এখানে বসানো হচ্ছে। এটাকে বঞ্চিত লোকদের ক্লাবে পরিণত করা হচ্ছে।

প্রতিটি বিলে বিরোধী দলের আপত্তির আলাদা আলাদা জবাব দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এখন বিশেষ পরিস্থিতি হলো, আইন পাস না হওয়ায় নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়া হয়েছে। এ কারণে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করতে এসব বিল আনা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ

আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নিয়ে কয়েক দিনের নাটকীয়তা

পঙ্গু হাসপাতালে ভাঙা হাত-পা নিয়ে কাতরাচ্ছে রোগীরা

ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে খুলেছে অফিস

ঈদ উৎসবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আমেজ

দিয়াবাড়ি পশুর হাটে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি

বিটিভিতে ঈদের অনুষ্ঠানের নামে লুটপাট

আমার দেশ প্রথম দফায় বন্ধের কালো দিন আজ

দেড় মাসের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপ্রতিমন্ত্রী