হোম > জাতীয়

১৮ বছর আগের যে মামলায় গ্রেপ্তার হলেন বিদিশা

আমার দেশ অনলাইন

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে ১৮ বছর আগের একটি প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই মামলায় চলতি বছরের মে মাসে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন।

তিনি জানান, ১৮ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি প্রতারণা মামলায় তিনি দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত। আদালত থেকে পরোয়ানা আসার পর আমরা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক মামলায় চলতি বছরের ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ওই রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় ওই মামলা করেছিলেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামের এক ব্যবসায়ী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোশাররফ হোসেনের বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট কেনার প্রয়োজন ছিল। লোক মারফত তথ্য পেয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মাদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা ২০০১ সালের ১ জুলাই মোশাররফকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী।

মামলায় আরও বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউর

অনুমতি না নিয়ে গুদাম পরিদর্শন, খাদ্যমন্ত্রীর এপিএসকে অব্যাহতি

ঢাকায় শুরু হলো ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার

বাংলাদেশে ভ্যাকসিন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

হিট প্রকল্প পরিচালককে অব্যাহতি, নতুন দায়িত্বে অধ্যাপক রাকিবুল

আমার দেশ প্রেসে বোমা হামলা, ডিআরইউর তীব্র নিন্দা

সাবমেরিন ক্যাবলসের নতুন এমডি তারঘীবুল ইসলাম

টোকিওতে নিপ্পন-সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী

আমার দেশ-এর প্রেসে বোমা নিক্ষেপ, জড়িতদের শাস্তি দাবি বিএফইউজে-ডিইউজের