হোম > মতামত

আন্দোলনের পর উপেক্ষিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা

ফাতিন ইশরাক সিয়াম খান

জুলাই ২০২৪, সারাদেশ তখন উত্তাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হামলা স্তব্ধ করে দেয় দেশের জনগণকে। ফলে ১৫ বছর মনের ভেতর জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে জনগণের। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন ছাত্রলীগ ও পুলিশের অত্যাচারে হাল ছেড়ে দিচ্ছিল, ঠিক তখনই মাঠে নামে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। যাদের সঙ্গে বিসিএস বা সরকারি চাকরির সম্পর্ক নেই বললেই চলে।

আওয়ামী লীগের চিন্তারও বাইরে থাকা এসব শিক্ষার্থীর প্রতিরোধে রামপুরা-কুড়িল রোডসহ বিভিন্ন এলাকা তখন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমিও যোগ দিই সেই আন্দোলনে। ১৮ জুলাই হামলা হয় রামপুরায়। তবে দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করেও সুবিধা করে উঠতে পারেনি তৎকালীন সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ব্রাক, ইস্ট ওয়েস্ট, ইউআইউ, ড্যাফোডিলসহ বহু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। আর মাঠে নেমে যাদের খুব বেশি সাহসীরূপে দেখতাম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের। মিছিলে সবার সামনে অকুতোভয় এই মানুষদের দেখেছিলাম। তা ছাড়া যাত্রাবাড়ীতে তাদের অবদান কোনো দিন ভোলার মতো না।

আন্দোলনের মুখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। দেশে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। আমরা আবার ফিরে আসি পড়ার টেবিলে। বিগত ছয় মাসে রাজনীতি থেকে অনেক দূরে থাকলেও একটা বিষয় মনে খুব পীড়া দিত, তা হলোÑআমরা তথা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেন হারিয়ে গেলাম। উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্র প্রতিনিধি থাকলেও তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। অন্য কোথাও আমাদের তেমন খুঁজে পাওয়া যায় না।

শুনেছি কয়েকটি সংস্কার কমিশনে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, তবে তা কি আসলেই আমাদের অবদানের তুলনায় যথেষ্ট? প্রাইভেটের শিক্ষার্থীরা কিছুটা স্বীকৃতি পেলেও সবচেয়ে বেশি অবজ্ঞা করা হয় মাদরাসার শিক্ষার্থীদের। এই সাহসী বীরদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে কেন জানি সব সময় আমাদের অনীহা।

অথচ সবচেয়ে কঠিন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছিল এই দুপক্ষ। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষদের মধ্যে কোনো বৈষম্য না হোক এবং সবাই সমান সম্মান পাক, একজন আহত আন্দোলনকারী হিসেবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

পিলখানার অসমাপ্ত অধ্যায়

হাদি হত্যায় ভারত এবং গোয়েন্দা স্লিপার সেল

ইচ্ছাকৃত রাজনৈতিক সংকট

সিরিয়ায় ওয়াইপিজির বিলুপ্তি ইরাকের জন্য সতর্কবার্তা

চিন্তার স্বাধীনতা বনাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব

বিধ্বস্ত শিক্ষাব্যবস্থা

ভাষার কোনো বিদেশ নেই, নেই কোনো খাঁচা

নৌবিদ্রোহ ও রাজনীতির বিশ্বাসঘাতকতা

চ্যালেঞ্জের মুখে খামেনির নেতৃত্ব ও ইসলামি বিপ্লব

শব্দের রাজনীতি, ক্ষমতার ভয়