হোম > মতামত

বৈশাখে ইলিশকাণ্ড

ফরিদা আখতার

বৈশাখ মাস বাংলাদেশের মানুষের জন্য খুব তাৎপর্যপূর্ণ। শহর এবং গ্রামে দুভাবে পালন করা হয়। শহরে বাংলা নববর্ষ পালনে অনেক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকে, গ্রামে মূলত হালখাতা এবং বৈশাখী মেলা হয়। ইংরেজি নতুন বছরে এমন কিছু হয় না, শুধু ৩১ ডিসেম্বর মানুষের ঘুম হারাম করে পটকাবাজি করা হয়, উচ্চবিত্তদের মধ্যে আন্তর্জাতিক কায়দায় রাতভর আনন্দ করা হয়, যার সঙ্গে আমাদের দেশের সংস্কৃতির কোনো মিল নেই। বৈশাখে নতুন কাপড় পরা, নারীরা সাদা শাড়ি লাল পাড় আর পুরুষরা সাদার ওপর কারুকাজ করা পাঞ্জাবি পরে বের হচ্ছেন। এগুলো দেখতে ভালো লাগে এবং আরো ভালো লাগে যখন দেখি এই দিনে তাঁতের কাপড়ের ব্যবহার বেশি হয়। আমাদের দেশের তাঁতিরা বছরের এ সময় কিছু আয় করতে পারেন, বৈশাখ পালনের এটাও একটি অর্থনৈতিক অবদান আছে।

যদিও বলা ভালো যে, গ্রামবাংলার আসল উদযাপন হচ্ছে চৈত্রের শেষ দিন চৈত্রসংক্রান্তি। বৈশাখকে আমরা নতুন বছর শুরুর মাস গুনি। তাই চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্রের শেষ দিন অতিক্রান্ত হলে ১৪৩২ বাংলা বছর পার হয়ে ১৪৩৩ আসবে। চৈত্রসংক্রান্তি পালন হয় মানুষের শরীর ও প্রকৃতির মধ্যে সম্বন্ধ রচনার যে চর্চা, এই নদীমাতৃক সবুজ বদ্বীপে বহু দীর্ঘকালব্যাপী জারি আছে তাকে চেনা ও জানার জন্য। এর সহজ একটি প্রকাশ হচ্ছে চৈত্রসংক্রান্তিতে খাদ্যব্যবস্থা। চৈত্রসংক্রান্তির দিন বিশেষ বিশেষ শাকজাতীয় এবং নিরামিষ খাবার পরিকল্পিতভাবে খাওয়া নিয়ম। এই দিন প্রাণিজ আমিষ (মাছ, মাংস, ডিম) নিষিদ্ধ। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা রয়েছেÑআবাদি ফসল আমরা তো সারা বছরই খাই, চৈত্রসংক্রান্তিতে তাই অনাবাদি শাকশবজি খাওয়াই রীতি অর্থাৎ চাষের শাকশবজি নয়; বরং কুড়িয়ে এনে চৌদ্দ রকমের শাক এবং চৈতালি মৌসুমের সবজি, পাতা, মুড়া ইত্যাদি খেয়ে চৈত্রসংক্রান্তি পালন করা হয়। এ শাকের মধ্যে অবশ্যই গিমা শাক, বা তিতা শাক খেতে হবে।

বাংলার কৃষাণি চৈত্রসংক্রান্তিতে ঘরের পাশে আলান-পালান ও মাঠের আনাচে-কানাচে শাক কুড়াতে বেরোয়। নিয়ম আছে, তাকে চৌদ্দ রকম শাক কুড়াতে হবে। আবাদি নয় কিন্তু অনাবাদি অর্থাৎ রাস্তার ধারে, ক্ষেতের আইলে, চকে আপনজালা শাক তুলতে হবে। অর্থাৎ যে শাক লতাপাতা কেউ আবাদ করেনি, আপনা থেকেই গজিয়েছে, নিজ থেকে হয়ে ওঠা শাক; এ মৌসুমে যা টিকে থাকে। এ শাক তোলার অধিকার কৃষণির থাকে। তার দেখার বিষয় হচ্ছে, যে শাক তারা খুঁজছেন সে শাক গ্রামে আছে কি না। ধনী পরিবারের নারীরা নিজে শাক তুলতে বের না হলেও তার আশপাশে যারা গরিব নারী আছেন, তাদের মাধ্যমে শাক তুলিয়ে আনেন। মনে রাখতে হবে, বলা হয় শাক ‘তোলা’ শাক ‘কাটা’ নয়। কখনোই তারা পুরো গাছটি উপড়ে ফেলে শাক আনবেন না। অতি যত্ন করে পাতাটি তুলে আনবেন। গাছ যেমন আছে তেমনই থাকবে।

দুঃখজনক হচ্ছে, শহরে এবং মধ্যবিত্তের পরিকল্পনায় চৈত্রসংক্রান্তির চেয়ে পহেলা বৈশাখের খাদ্য পরিকল্পনা বেশি গুরুত্ব পায় এবং হাস্যকরভাবে ‘পান্তা-ইলিশ’-এর পরিকল্পনা হয় এবং এ কারণে বাজারে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। অথচ এ সময় ইলিশ যেন পরিপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তাই ভোক্তাসহ সব শ্রেণির জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ’ উদযাপন করা হয়। তাই পহেলা বৈশাখে ইলিশ বাজারে থাকার কথা নয়; যা আছে তা জাটকা (২৫ সেন্টিমিটারের কম আকারের ইলিশ বা কিশোর ইলিশ)। জাটকা ধরা আইনত নিষিদ্ধ কিন্তু তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যায় না। এ বিষয়ে ভোক্তাদের দিক থেকে চাহিদা থাকলে বাজারে জাটকা আসবেই। অথচ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, জাটকা ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে পারলে ইলিশের মৌসুমে অর্থাৎ বর্ষাকালে মোট উৎপাদন ২৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

খবরে জানা যায়, বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাজারে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা বেড়ে গেছে। বিক্রেতারা জানান, এ সময় প্রতি বছরই ইলিশের চাহিদা বাড়ে। তবে এবার সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম আরো বেশি বেড়েছে। বাজারে বড় সাইজের ইলিশ প্রতি কেজি তিন হাজার টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের ইলিশও এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। আরেকটি খবরে দেখলামÑমাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘নববর্ষ উপলক্ষে অনেক পরিবারই পান্তা-ইলিশ খাওয়ার পরিকল্পনা করে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি চাহিদা তৈরি হয়। সে সুযোগে বাজারে দামও দ্রুত বাড়ে।’ এই অপ্রয়োজনীয় চাহিদা সৃষ্টি করে দাম বৃদ্ধি করা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়। উচ্চ ও মধ্যবিত্তরা কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করে ইলিশ উৎপাদনের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। হতে পারে তারা বিষয়টি না জেনে করছেন। সে কারণে বৈশাখে ইলিশ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির দরকার আছে। ইলিশ রক্ষা করতে হলে ইলিশকে তার প্রাকৃতিক জীবনচক্র পূর্ণ করতে দিতে হবে। বৈশাখ ইলিশের মৌসুম নয়, এই জাটকা অর্থাৎ কিশোর ইলিশ থাকে, যে বেড়ে ওঠার জন্য সমুদ্র এবং নদীতে ঘোরাফেরা করে।

বাংলাদশে ইলিশ প্রকৃতির দান, আমরা এক পয়সা খরচ করেও ইলিশ উৎপাদন করি না। পৃথিবীর মাত্র ১১টি দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের ইলিশ (Tenualosa ilishia) সবচেয়ে স্বাদের। এক নম্বরে আছে। ইলিশ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া মাছ, যার কোনো উৎপাদন করতে হয় না কিন্তু এর ব্যবস্থাপনা করতে হয়। ইলিশ মাছে পুষ্টিগুণও কম নয়। উচ্চমাত্রায় আমিষ, চর্বি ও খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। কাজেই পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবেও ইলিশের মূল্য আছে। দেশের প্রায় সব নদ-নদী, এমনকি শাখা নদীতেও ইলিশ মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু ২০১৩ সালের গবেষণায় দেখা গেছে ১০০টি নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের প্রধান আহরণ এলাকা হচ্ছে মেঘনা নদীর নিম্নাঞ্চল, তেঁতুলিয়া, কালাবদর বা আড়িয়াল খাঁ (নিম্নাংশ), ধর্মগঞ্জ, নয়াভাংগানি, বিষখালী, পায়রা, রূপসা, শিবসা, পশুর, কচা, লতা, লোহালিয়া, আন্দারমানিকসহ অনেক নদী ও মোহনা এবং বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরা পড়ে। তবে ইলিশের জন্য বেশি বিখ্যাত পদ্মা ও যমুনা। শুষ্ক মৌসুমে সেখানে আর ইলিশ পাওয়া যায় না [ইলিশ মাছ গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা, বিএফআরআই, চাঁদপুর, ২০১৩] ।

কিন্তু এ ব্যবস্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যখন অসাধু ব্যবসায়ীরা ইলিশকে পণ্য বানিয়ে যেকোনো সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাজারে ইলিশ বিক্রি করেন। বৈশাখে যদি বাজারে বড় ইলিশ পাওয়া যায়, তার অর্থ মজুতদারি হয়েছে। ইলিশের মৌসুমে ইলিশ ধরে হিমাগারে জমিয়ে রেখে বৈশাখে উচ্চদামে বিক্রি করা হচ্ছে। এটাও অনৈতিক কাজ এবং বাজারে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করা হয়।

যারা ইলিশ পছন্দ করেন তাদের জানাচ্ছি যে, দুঃখজনকভাবে জাটকা নিধন, অবৈধ জালের ব্যবহার, নদীর নাব্য কমে যাওয়া, দূষণ এবং সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের উৎপাদন ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী মোট আহরিত ইলিশের প্রায় ৬০ শতাংশ সমুদ্র থেকে আসে, বাকি ৪০ শতাংশ ইলিশ নদী ও মোহনা থেকে আসে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নদী এবং ২৫ শতাংশ মোহনা থেকে আহরিত হয়। বর্তমানে নদী ও সাগর থেকে ইলিশের উৎপাদন হয় ৫ দশমিক ২৯ টন। বিগত ২৫ বছরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০০০ সালের শুরুতে ইলিশের উৎপাদন ছিল দুই লাখ টন। এর পর থেকে ইলিশ আহরণ বেড়েছে, বিশেষ করে ২০১৭ সালের পর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত ইলিশের আহরণ ৫ দশমিক ৭১ লাখ টন পর্যন্ত বেড়েছিল। কিন্তু ২০২৩-২৪ সালে এসে কমে হয় ৫ দশমিক ২৯ টন। উৎপাদন বৃদ্ধ্বির একটি প্রধান কারণ ২০০৮-০৯ সাল থেকে মা ইলিশ রক্ষাসহ বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখার কাজটি ভালো হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলেও অন্যান্য কারণে সার্বিক উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গত আট বছরের মধ্যে ইলিশের সর্বনিম্ন উৎপাদন হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে। গত বছর জাতীয় মাছ ইলিশ উৎপাদন হয়েছে মাত্র পাঁচ লাখ টন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের পর এটিই সর্বনিম্ন উৎপাদন।

ইলিশকে জাতীয় মাছ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তার মূল কারণ এর অর্থনৈতিক অবদান। এককভাবে ইলিশ জিডিপিতে ১ শতাংশ অবদান রাখে। ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবেও এর স্বীকৃতি মিলেছে। উন্মুক্ত জলাশয়ের মাছের অবদান ৪২ শতাংশ। তার মধ্যে প্রায় ১২ শতাংশ ইলিশ থেকে আসে, ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয় এবং ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। পাঁচ লাখ জেলে সরাসরি এবং ২০-২৫ লাখ মানুষ ইলিশসম্পদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত।

আমাদের সবার সম্মিলিত চেষ্টা থাকতে হবে যেন ইলিশের প্রাপ্যতা বাড়ে এবং তার দাম জনগণের নাগালের মধ্যে থাকে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমেও এক কেজি ইলিশের দাম কমপক্ষে এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকার বেশি থাকলে সেটা সাধারণ মানুষ কিনতে পারবে না। কিন্তু ২০২৫ সালের জুলাই-আগস্টে (আষাঢ়-শ্রাবণ) ভরা মৌসুমেও ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৪০০-১৭০০, এক কেজির উপরে ২২০০-২৫০০ টাকা। ঢাকার বাইরে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনায়ও দাম প্রায় একই ছিল। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বাজারে ইলিশ মাছের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধ্বির পরিপ্রেক্ষিতে একটি সমীক্ষা সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দিয়েছিল (২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫)। তারা ২০২৪ সালের দামের সঙ্গেও তুলনা করে দেখেছে, ৭৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি ইলিশের দাম ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছিল এক হাজার ১০০ টাকা, ২০২৫ সালে হয় এক হাজার ৫০০ টাকা। এক কেজি থেকে দেড় কেজি ইলিশ ২০২৪ সালে ছিল এক হাজার ৬০০ টাকা, ২০২৫-এ হয় দুই হাজার ৫০০ টাকা, দেড় কেজি থেকে তার উপরে ২০২৪ সালে ছিল এক হাজার ৮০০ টাকা কিন্তু ২০২৫ সালে হয় দুই হাজার ৮০০ টাকা, যা অবশ্যই সাধারণ মানুষের নাগালের মূল্য নয়। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, মজুত ও সিন্ডিকেট, জ্বালানি তেল ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, মাছ ধরার খরচ বৃদ্ধি, দাদনের প্রভাবসহ অন্যান্য পরিবেশগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা।

নিঃসন্দেহে ইলিশের দাম বৃদ্ধির সব দায় বৈশাখে পান্তা-ইলিশের নয়। তবে বৈশাখের সময় বিশেষ চাহিদার কথা ভেবে মজুতদারি ও সিন্ডিকেট যেমন হচ্ছে, তেমনি জাটকা সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। কিন্তু বৈশাখে পান্তা-ইলিশ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করা হয়েছে নেহায়েতই ইদানীংকালে এবং মনে করা হয় এটা মিডিয়ার সৃষ্টি। বাঙালি সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার কোনো রীতি নেই। শহুরে বড়লোক শ্রেণির মনগড়া বিলাস। তারা এক দিন পান্তা ভাতের মতো গরিবের খাবারের সঙ্গে বিলাসী ইলিশ ভাজা দিয়ে এক কৃত্রিম ‘সংস্কৃতি’ তৈরি করছেন, যা বৈশাখের মতো সর্বজনীন ও সাধারণ মানুষের উৎসবের প্রতি অবমাননা।

আসুন আমরা চৈত্রসংক্রান্তি পালন করি এবং একই সঙ্গে পহেলা বৈশাখকে দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে মিলিয়ে তাঁতের কাপড় পরি, মেলায় গিয়ে কারুশিল্পের বৈচিত্র্য উপভোগ করি এবং গান তো আছেই।

নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল।

লেখক : অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা,

গবেষক, মানবাধিকার ও নারী অধিকারকর্মী

শিক্ষিত? দক্ষ? উচ্চাকাঙ্ক্ষী? পাচারকারীরা আপনাকেই খুঁজছে

নতুন বাংলাদেশ ও শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোধোদয় হোক

মানবাধিকার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার ‘গণতন্ত্র দিবস’

পতাকা বদলেছে শাসন নয়

মেধাভিত্তিক নিয়োগের পথে নতুন শঙ্কা

ইরানের চেয়ে বড় হুমকি ইসরাইল

সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এখন বাংলাদেশের স্বপ্ন

মক্কা চুক্তি সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশের ভূমিকা

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: বহুমাত্রিক সম্ভাবনা