হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

মক্কা-চুক্তি ও বাংলাদেশের স্বার্থ

আবদুল লতিফ মাসুম

আন্তর্জাতিক সম্পর্কতত্ত্বে ‘যৌথ নিরাপত্তা’ (Collective Security) ধারণাটি চিরকালই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কেন্দ্রীয় প্রত্যয়গুলোর অন্যতম। থুসিডাইডিস থেকে হ্যান্স মর্গেনথাউ, কেনেথ ওয়াল্টজ থেকে জন মিয়ারশেইমার—প্রত্যেকেই স্বীকার করেছেন যে, নৈরাজ্যবাদী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের টিকে থাকার (Survival) প্রশ্নটিই সবচেয়ে মৌলিক। কোনো রাষ্ট্র যখন নিজের সামরিক সক্ষমতায় পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অক্ষম, তখন জোটভিত্তিক সহযোগিতাই তার কৌশলগত যৌক্তিকতা। ওয়াল্টজের ‘ব্যালান্স অব পাওয়ার’ তত্ত্ব এবং স্টিফেন ওয়াল্টের ‘ব্যালান্স অব থ্রেট’ তত্ত্ব উভয়ই প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রগুলো হুমকি মোকাবিলায় পরস্পরের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়। ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সেই তাত্ত্বিক কাঠামোরই বাস্তব রূপায়ণ। বাংলাদেশের জন্য এই চুক্তিতে সম্পৃক্ততার প্রশ্নটি তাই শুধু আবেগের নয়, এটি রাষ্ট্রিক কৌশল ও জাতীয় স্বার্থের গভীরতম প্রশ্ন।

মক্কা চুক্তির পটভূমি বুঝতে হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর ঐতিহাসিক পালাবদলকে অনুধাবন করা প্রয়োজন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর পশ্চিমা শক্তিগুলো মুসলিম বিশ্বকে ‘শিয়া-সুন্নি’ বিভাজনের কৃত্রিম রেখায় বিভক্ত রাখার কৌশল অবলম্বন করে। দেড় শতাধিক বছর ধরে এই কৃত্রিম দ্বন্দ্ব মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ক্রমাগত ক্ষয় করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই শূন্যতার সুযোগে উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘নিরাপত্তা-ছাতা’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে এবং বিনিময়ে পুরো অঞ্চলজুড়ে সামরিক ঘাঁটির জাল বিস্তার করে।

কিন্তু ২০২৫-২৬ সালের ইরান সংকট এই গোটা হিসাবকে উল্টে দিয়েছে। মার্কিন ও ইসরাইলি বিপুল সামরিক চাপ সত্ত্বেও ইরানকে কাবু করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন ঘাঁটিগুলো ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো একটি অপ্রিয় সত্যের মুখোমুখি হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রকৃত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবরের ভাষায়, এই বাস্তবতায় শিয়া ও সুন্নি উভয় পক্ষের চিন্তাধারার মধ্যে একটি অভিন্ন বিন্দু তৈরি হয়েছে। ইরান নিজেও স্পষ্ট করেছে যে, তাদের সঙ্গে আরব দেশগুলোর কোনো মৌলিক শত্রুতা নেই; বিদেশি সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতিই সংঘাতের মূল কারণ।

এই পারস্পরিক উপলব্ধি থেকেই মক্কা চুক্তির জন্ম। এটি মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট—ন্যাটোর মতো আক্রমণাত্মক নয়; বরং এটি যৌথ প্রতিরক্ষার একটি নতুন দৃষ্টান্ত যেখানে সদস্যদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন সিদ্ধান্তের অধিকার সংরক্ষিত। এর মূলনীতি হচ্ছে : সদস্য কোনো দেশ সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হলে তা সব সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তিন প্রতিষ্ঠাতা দেশের সম্মিলিত শক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ—প্রায় ১৪ লাখ সক্রিয় সামরিক জনবল, ৩ হাজার ৪০০ বিমান, ৬ হাজার ট্যাংক এবং ৩৪০টিরও বেশি নৌসম্পদ। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তি পাকিস্তান, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর অধিকারী তুরস্ক এবং বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব—এই ত্রিশক্তির সমন্বয় একটি নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে।

বাংলাদেশের ভূকৌশলগত অবস্থানে মক্কা চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা বুঝতে হলে আমাদের নিরাপত্তা বাস্তবতার নির্মোহ মূল্যায়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ ক্ষুদ্রায়তন দেশ, যার চারপাশে কোনো মুসলিম প্রতিবেশী নেই। প্রাকৃতিক সুরক্ষা দেওয়ার মতো পর্বতশ্রেণি বা মরুভূমি না থাকায় ‘কৌশলগত গভীরতা’ (Strategic Depth) অত্যন্ত সীমিত। কোনো সংঘাত পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্বের ওপর নির্ভরশীল সরবরাহব্যবস্থা আমাদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। প্রতিবেশী দেশগুলো যখন নিজস্ব প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়েছে, তখন বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা সেই তুলনায় অত্যন্ত সীমিত রয়ে গেছে। এই বৈষম্য কোনো আঞ্চলিক সংকটে আমাদের দুর্বল অবস্থানকে আরো প্রকট করে তোলে।

গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’—এই নীতি অনুসরণ করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই নীতি আমাদের কোনো অকৃত্রিম মিত্র তৈরি করতে পারেনি যে সংকটে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়াবে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যেও এমন কেউ নেই যে বাংলাদেশের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় বাংলাদেশ একটি ‘কৌশলগত নিঃসঙ্গতায়’ (Strategic Loneliness) নিমজ্জিত।

এই নিঃসঙ্গতা আরো প্রকট হয়েছে আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের তরফ থেকে আসা ক্রমাগত হুমকি ও বৈরী আচরণ বাংলাদেশে চরম নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। বছরের পর বছর বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া সত্ত্বেও এই আচরণ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিকল্প ‘নিরাপত্তা-ছাতা’ অন্বেষণকে অনিবার্য করে তুলেছে। মক্কা চুক্তি সেই অন্বেষণে একটি বাস্তবসম্মত ও কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ উত্তর হিসেবে সামনে এসেছে। এটি নিছক আবেগের প্রশ্ন নয়—এটি রাষ্ট্রিক অস্তিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি যৌক্তিক কৌশলগত বিবেচনা।

বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে সম্পৃক্ততাকে শুধু সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা হবে ক্ষুদ্র দৃষ্টিভঙ্গি। এই সম্পৃক্ততা বহুমাত্রিক কৌশলগত সাফল্যের দ্বার উন্মোচন করতে পারে। প্রথমত, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি। তুরস্কের বায়রাকতার ড্রোন প্রযুক্তি, পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান এবং সৌদি আরবের আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—এই জোটের সদস্যপদ বাংলাদেশকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি হস্তান্তর, যৌথ প্রশিক্ষণ, সাইবার নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় অভূতপূর্ব সুযোগ দেবে। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। জোটের সদস্যভুক্ত দেশগুলো আর্থিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সৌদি আরব বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও জ্বালানি নিরাপত্তার কেন্দ্রবিন্দু। তুরস্ক প্রতিরক্ষাশিল্প ও বাণিজ্যিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। একটি প্রতিরক্ষা জোটের অংশীদার হিসেবে এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দরকষাকষির ক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। তৃতীয়ত, কূটনৈতিক মর্যাদা ও ‘ডিটারেন্স’। আন্তর্জাতিক সম্পর্কতত্ত্বে ‘নিবৃত্তি’ বা ‘ডিটারেন্স’ একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা। কোনো দেশ যখন শক্তিশালী জোটের সদস্য হয়, তখন তার বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বাংলাদেশের জন্য এটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ঢাল হিসেবে কাজ করবে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি সৌদি আরবের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের বিশাল শ্রমবাজারে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ এরই মধ্যে লোহিত সাগর ও আদেন উপসাগরে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যোগ দিয়েছে, যা এ অঞ্চলে আমাদের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত উপস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে।

কিছু মহল থেকে মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ঝুঁকি নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত। ন্যাটোর ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বহু দশকে শুধু নাইন-ইলেভেনের পরই আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করা হয়েছিল। সদস্যদেশগুলোর ছোটখাটো সংঘাতে বাকিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়ায়নি। তাছাড়া মক্কা চুক্তির ধারাগুলো এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট করেছেন, এই জোট অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অহস্তক্ষেপের আন্তর্জাতিক নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

মক্কা চুক্তিতে যোগদান চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি করবে—এমন আশঙ্কাও অমূলক। চীন নিজেই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা চায়, কারণ তার জ্বালানি নিরাপত্তা মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক সমঝোতায় চীনের ভূমিকা এর প্রমাণ। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই উদ্যোগকে ‘সাহসী পদক্ষেপ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে বিশ্ব অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থেও।

বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির স্পষ্ট করেছেন, মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের কোনো ঝুঁকি নেই এবং ইসলামি দেশগুলোর এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রিয়াদ সফরও শিগগিরই চূড়ান্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ইরানও বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানে কোনো উদ্বেগ দেখছে না বলে জানিয়েছে তেহরান। এটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতারই প্রমাণ—যে বিচক্ষণতার সঙ্গে এটি ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বানসি কুবুথার ভাষায়, একটি জাতির কৌশলগত সিদ্ধান্ত তখনই সফল হয়, যখন তা গণতান্ত্রিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত হয়। মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার প্রশ্নে এই নীতি সবিশেষ প্রযোজ্য। চুক্তির প্রতিটি শর্ত ও ধারা গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। জাতীয় সংসদ, রাজনৈতিক দল ও সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

তবে একটি বিষয় সুনিশ্চিত ও অবিসংবাদিত : বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। গণতন্ত্রে জনগণই প্রধান শক্তি এবং জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটিয়েই এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া সমীচীন। আমাদের জাতীয় স্বার্থ নির্ধারণের পূর্ণ অধিকার আমাদের। ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব’ নীতি যদি বাস্তবে কোনো প্রকৃত বন্ধু তৈরি করতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তবে সেই নীতির পুনর্মূল্যায়ন সময়ের দাবি। মক্কা চুক্তি বাংলাদেশের সামনে এমন একটি কৌশলগত সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা শুধু প্রতিরক্ষার নয়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও কূটনৈতিক মর্যাদা বৃদ্ধিরও বাহন হতে পারে।

বিপ্লব-উত্তর বাংলাদেশ আজ একটি কঠিন কিন্তু সম্ভাবনাময় সময় অতিক্রম করছে। এক নদী রক্ত পেরিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠছে, তার সামনে দুটি পথ—অতীতের নিষ্ক্রিয় নিরপেক্ষতায় আবদ্ধ থাকা, অথবা কৌশলগত বিচক্ষণতায় নতুন জোটের অংশীদার হওয়া। গতানুগতিক পররাষ্ট্রনীতির নিরাপদ গণ্ডি থেকে বের হয়ে জাতীয় স্বার্থে সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। ইতিহাস প্রমাণ করে, যারা সময়ের দাবিকে চিনতে পেরেছে এবং সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে, তারাই জাতিকে সংকট থেকে সম্ভাবনার পথে নিয়ে গেছে। মক্কা চুক্তি সেই সম্ভাবনার নামান্তর—জাতীয় ঐক্য ও সংহতি নিশ্চিত করা গেলে কোনো হুমকিতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।

লেখক : রাজনীতি বিশ্লেষক, সাবেক অধ্যাপক

সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত

সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া বিশ্বনেতা লরেন্স ওং

বুকজ্বালা কেন বাড়ে?

মদনে ছেলের দায়ের কোপে বাবা নিহত

সাতটি রোবোটিক সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন করেছি

অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ হতে পারে

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল-তিব্বত

সোরিয়াসিসের লক্ষণ ও ঝুঁকি

ডিজিটাল দক্ষতার প্রশিক্ষণে শিক্ষকদেরকে সহায়তা হুয়াওয়ে-ইউনেস্কোর

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের