হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক স্টান্টবাজি

সৈয়দ আবদাল আহমদ

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দিল্লির গোপন আস্তানা থেকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আগামী ডিসেম্বরে দলের পলাতক নেতাদের নিয়ে তিনি নাকি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন! ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তিনি রয়টার্সকে এই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কি না—সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রয়টার্সও এ বিষয়ে কিছু খোলাসা করেনি। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে মনে হয়েছে, সাক্ষাৎকার নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতে শেখ হাসিনার ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’-এর সুযোগটি তারা গ্রহণ করেছেন।

পলাতক শেখ হাসিনার এ বক্তব্য একধরনের ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি বড় অংশ এবং বিশ্লেষকদের মতে এই রাজনৈতিক স্টান্টবাজির পেছনে বড় দুরভিসন্ধি রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবন এই দলের নেতাকর্মীকে চাঙা করা এবং দেশের বর্তমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে নষ্ট করার একটি প্রয়াস এটি। জনসাধারণের একটি বড় অংশ মনে করে, যদি দেশের মাটিতেই শেখ হাসিনার বিচার বা মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়ার সাহস থাকত, তবে সাড়ে ১৫ বছরের শাসন শেষে তিনি ভারতে পালিয়ে যেতেন না। এটি শুধুই তার কথার কথা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন এটি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক চাল এবং ধোঁকাবাজি। সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘স্বাগতম শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার আপনার আগ্রহ যদি সত্য হয়, তাহলে ডিসেম্বর কেন, এখনই দেশে ফিরে আসুন। বিচারের মুখোমুখি হোন।’

এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনা যদি দেশে ফেরেন, শুধু ফেরবেন তার ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য। বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী স্পষ্ট জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরবেন কি নাÑসেটি সম্পূর্ণ তাদের দলীয় বিষয়। জনগণ চান তিনি দেশে ফিরে এসে চলমান বিচারের মুখোমুখি হোন এবং তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলার রায়গুলো আদালতের মাধ্যমে কার্যকর হোক। জামায়াতে ইসলামী অবশ্য শেখ হাসিনার এই হঠাৎ ঘোষণাকে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছে।

চব্বিশের জুলাই ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ভারতে পালিয়ে যান। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সারা দেশে হওয়া ৬৬৩টি মামলার মুখোমুখি হতে হবে তাকে। এর মধ্যে ৪৫৩টি মামলাই হত্যা মামলা। জুলাই-আগস্টের ঘটনায় নিহত ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এগুলো করা হয়।

এর বাইরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা, গুম, অপহরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আরো ২১০টি মামলা রয়েছে। ইতোমধ্যে আইসিটি ও বিশেষ আদালতে তার বিরুদ্ধে হওয়া গণহত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং দুর্নীতির একাধিক মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানায় এখনো নিয়মিত নতুন নতুন মামলা বা অভিযোগ জমা হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায়

পলাতক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত চারটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আইসিটির বিচার প্যানেলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার এই ঐতিহাসিক রায় দেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে এই মামলার ৪৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে পলাতক তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালত রায়ে উল্লেখ করে যে, শেখ হাসিনা ক্ষমতার শীর্ষ পদে থেকে দমনপীড়নের মূল নকশাকারী হিসেবে কাজ করেছেন। বিক্ষোভ দমনে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর আকাশ ও স্থলভাগ থেকে ড্রোন, হেলিকপ্টার, স্নাইপারসহ মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র (লেথাল উইপন্স) ব্যবহারের সরাসরি নির্দেশদাতা যে শেখ হাসিনা তা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। হত্যার পর লাশ ‍পুড়িয়ে ফেলা এবং গুম করে অপরাধের তথ্য-প্রমাণ গোপন বা ধ্বংস করার সঙ্গে তার সরকারের উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততা ছিল। আহত শিক্ষার্থীদের যেন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া না হয়, মুক্তি দেওয়া না হয়, শেখ হাসিনা সরাসরি এমন অমানবিক আদেশ দিয়েছিলেন। তাছাড়া আন্দোলনকারীদের প্রতি উসকানিমূলক ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে আন্দোলন দমনে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

আদালতের আদেশ অমান্য করেন হাসিনা

শেখ হাসিনাকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ আদালত থেকে শেখ হাসিনাকে একাধিকবার সমন এবং জনসমক্ষে নোটিস জারি করা হলেও তিনি ভারতে পালিয়ে থাকেন। আদালতের সেই আদেশ অমান্য করেন। শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ না করায় এবং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভারতে পলাতক থাকায় দেশের প্রচলিত আইন ও আইসিটির বিধান অনুযায়ী তার অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এই আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া ঢাকার একটি বিশেষ আদালত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি আবাসন প্রকল্পের জমি অবৈধভাবে নিজের ও পরিবারের নামে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে তিনটি ভিন্ন মামলায় ২১ বছরের কারাদণ্ড দেয়। প্রতিটি মামলায় তার সাত বছর করে কারাদণ্ড হয়। পৃথক একটি আদালত অবমাননা মামলায় তার ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়।

শেখ হাসিনা যেহেতু আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি এবং আইনি প্রক্রিয়া এড়িয়ে চলছেন, তাই ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শেখ হাসিনার নির্বাচনের হলফনামায় ঘোষিত সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও ক্রোকাদেশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা এখন সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি। আইসিটি কর্তৃক ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করতে হলে তাকে প্রথমে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে অথবা তার আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করতে হবে। ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে। ভারত সরকার থেকে বলা হয়েছে তারা আবেদনটি খতিয়ে দেখছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বর্তমানে নিজেই আত্মসমর্পণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি যদি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করেন কিংবা বাংলাদেশের আবেদন অনুযায়ী ২০১৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়। আইন অনুযায়ী তাকে কারাগারে পাঠানো হবে। এরপর উচ্চ আদালতে আপিল বা আইনি লড়াইয়ের প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী জেল কোড বা বিধি অনুযায়ী রায় কার্যকরের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শেখ হাসিনা দেশে পা রাখা মাত্র বা তাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণ (Extradition) করা মাত্রই পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে কাস্টডিতে নেবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা এ সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করেননি এবং আপিলেরও সুযোগ নেননি। যেহেতু ২০২৫ সালে ১৭ নভেম্বর রায় দেওয়া হয়েছে এবং সে সময় পার হয়ে গেছে, তাই সাধারণ নিয়মে শেখ হাসিনার আপিল করার সুযোগ এখন সীমিত। তবে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে দেরিতে হলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিশেষ আবেদনের মাধ্যমে আপিল করার আইনি নজির রয়েছে। শেখ হাসিনা যদি আত্মসমর্পণ করেন, তাহলে আপিল বিভাগের কাছে বিলম্ব মার্জনার আবেদন জানিয়ে আপিল করতে পারেন। আপিল বিভাগেও যদি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তবে সেই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রিভিউ পিটিশন করার শেষ বিচারিক সুযোগ রয়েছে। রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে গেলে চূড়ান্তভাবে সব আইনি লড়াইয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষার জন্য আবেদনের সুযোগ রয়েছে। সেটি নাকচ হলে ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে মৃত্যুপরোয়ানা পাঠানো হবে এবং জেল কোড অনুযায়ী নির্ধারিত দিনে ফাঁসি কার্যকর করবে জেল কর্তৃপক্ষ।

শেখ হাসিনার অপরাধ

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ঘটনা তদন্ত করে শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত দমনপীড়ন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণসহ ১১৪ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১৪০০ মানুষকে হত্যা, যার ১২-১৩ শতাংশ শিশু এবং হাজার হাজার আহত হওয়ার ঘটনা রয়েছে। এতে বলা হয়, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গণগ্রেপ্তারসহ নানা অপকর্মেরও প্রমাণ রয়েছে।

জাতিসংঘ তদন্ত প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় আক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এতে বলা হয়, শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শেখ হাসিনা ও তার সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনার যোগসাজশ পাওয়া গেছে।

শেখ হাসিনা তার অপরাধের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো অনুশোচনা, দুঃখ কিংবা ক্ষমা চাননি। আজ তিনি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ভাষায় তাই বলতে হয়, আপনি দেরি না করে এখনই আসুন। বিচারের মুখোমুখি হোন। শত শত মানুষকে হত্যার দায় সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কী, বলুন। আপনার শাসনামলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, আয়নাঘর, ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের এত অপকর্ম কেন হলো, জবাব দিন। জবাব দিন কেন ১৫ বছর জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হলো। গণতন্ত্র ও নির্বাচনি ব্যবস্থা কেন ধ্বংস করা হলো? বাংলাদেশ কেন ভারতের আজ্ঞাবহ বা তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল? বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার অপরাধের বিচার চায়। তিনি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে ভালো, নইলে ভারত থেকে তাকে প্রত্যর্পণ করতে হবে। এ বিষয়ে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। ভারতে বসে একজন ফেরারি আসামি কীভাবে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন, সে বিষয়ে ভারতের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে হবে। শেখ হাসিনার অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। ন্যায়ের স্বার্থে তার বিচার হতেই হবে।

লেখক : বর্তমান সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও ফিনল্যান্ড-জাপানের উদাহরণ

মেটিকুলাস ডিজাইন এবং মন্দবুদ্ধির উপাখ্যান

বিএনপির ভুল করতে চায় না আ.লীগ!

হালাল তহবিল ও জাতীয় গভর্ন্যান্স কাঠামো

ওসমানীর কেন ফিল্ড মার্শাল প্রাপ্য

ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার উপায়

চব্বিশ, নব্বই, উনসত্তর

ভুল পরামর্শে কৃষকের সর্বনাশ

ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

স্কুলে বিকালে ক্লাস নয়, খেলাধুলার সুযোগ দিন