ঢাকার একটি ইংরেজি দৈনিকে শেখ হাসিনা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর । সাক্ষাৎকারে আবদুল মোমেন বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় অনেক অপরাধী আছে।... তাদের কাছে মারণাস্ত্র ও বিস্ফোরক থাকে। এসব মারণাস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহার করে তারা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে পারে। এমনকি তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেও বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলা করতে পারে। একে ‘বর্ডার কিলিং’ বা সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বলা যায় না।
একে ‘ভারতের অভ্যন্তরে হত্যাকাণ্ড’ বলা যেতে পারে। অনেক সময় সীমান্ত থেকে অনেক দূরে ভারতীয় ভূখণ্ডে মানুষ মারা যায় । তারা অবৈধ ব্যবসার জন্য ভারতীয় ভূখণ্ডে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা প্রায়ই অবৈধ আর্থিক লেনদেন কেন্দ্র করে সমস্যায় পড়ে। তারপর তাদের হত্যা করা হয়।’
সীমান্ত হত্যা বিষয়ে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছেন, সীমান্তে অপরাধে জড়িত থাকা বা অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা ‘বর্ডার কিলিং’ বা সীমান্ত হত্যা নয়। তিনি বলেন, ‘আপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং বলছেন, সে সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানেন তাহলে খুশি হব। যদি অন্য দেশের বাহিনী আমাদের সীমান্তে বা শূন্যরেখায় এসে কাউকে হত্যা করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বা সীমান্ত হত্যা বলতে পারি। কিন্তু আমাদের সীমানার ভেতরে কিংবা তাদের সীমানার ভেতরে কেউ কোনো অপরাধে জড়িত থাকলে বা অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করলে, সেটি তারা তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী মোকাবিলা করবে। এটাকে ‘বর্ডার কিলিং’ বলা ঠিক হবে না।
মাফিয়া সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন ভারতের প্রতি বাংলাদেশের চূড়ান্ত নতজানু সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নির্বিচারে বাংলাদেশিদের হত্যা, সীমান্তে ভারতের আগ্রাসন, নিয়ম লঙ্ঘন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, পুশইনসহ যাবতীয় অন্যায়ের ক্ষেত্রে তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পক্ষ নিয়ে কথা বলতেন। ভারতের অন্যায়ের পক্ষে সাফাই গাইতেন। বিএসএফ ও ভারতীয়দের হাতে নিহত বাংলাদেশিদের চোর, ক্রিমিনাল, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীসহ নানা নেতিবাচক আখ্যা দিতেন। তার কথা শুনে মনে হতো বিএসএফপ্রধান বা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলছেন। সীমান্তে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশিদের হত্যাকে বৈধতা দিতে বিএসএফসহ ভারতের কর্মকর্তারা যেসব যুক্তি ও মিথ্যা দাবি করতেন, ঠিক একই কথা বলতেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
কিন্তু চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী নির্বাচিত একটি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে সেই আগের আওয়ামী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের মনে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ভারতের অন্যায় ও অবৈধ পুশইন বিষয়ে নয়াদিল্লির সাফাই গেয়ে বলেছেন, ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশকে চাপে ফেলার জন্য পুশইন করছে না।
গত ৯ জুন সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা নিশ্চয়ই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ফলো করেছি। সেখানে নির্বাচনে একটা ইস্যু ছিল এটা। এটা তাদের একটা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যাপার, যেটার খানিকটা চাপ আমাদের ওপরে আসছে। আমি এভাবে মনে করি না যে, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো একটা টেনশন তৈরির জন্য ভারতীয় সরকার এটা করছে। পশ্চিমবঙ্গে যে নতুন সরকার দায়িত্বে এসেছে নির্বাচিত হয়ে, তাদের নির্বাচনের একধরনের প্রতিশ্রুতি ছিল। তাদের একটা রাজনীতি আছে, সেটারই একধরনের বহিঃপ্রকাশ এটা।’
কোনো নিয়মনীতি, যাচাই-বাছাই ছাড়া ভারত বাংলাভাষী মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে আর একে ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে সাফাই গাওয়া এবং বর্ডার কিলিং বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য আওয়ামী আমলে ভারতের প্রতি সেই নতজানু সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
বিচারের মুখোমুখি না করে সীমান্তে গুলি করে বেসামরিক মানুষ হত্যা জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ আইন বা সার্বভৌম ক্ষমতার অজুহাতে এই হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। ভারত বা বাংলাদেশ কোনো দেশেরই স্থানীয় আইনে চোরাচালান বা অবৈধ সীমান্ত পারাপারের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ নয়। নিরস্ত্র বেসামরিক ব্যক্তির ওপর গুলি চালানো জাতিসংঘের ‘আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের বল এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারসংক্রান্ত মৌলিক নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
স্থানীয় আইনের দোহাই দিয়েও এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে ‘বর্ডার কিলিং’-এর সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া বা বৈধতা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এসব ঘটনা দুদেশের মধ্যকার সীমান্ত চুক্তিরও পরিপন্থী।
পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনের আগে বারবার বলেছেন, ওই রাজ্যে ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি বাংলাদেশি মুসলমান ও রোহিঙ্গা রয়েছে । তারা যদি স্বেচ্ছায় দেশ না ছাড়ে নির্বাচিত হলে তিনি তাদের ধরে সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠানোর হুমকি দেন। নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের পর শুভেন্দু তার পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মুসলমান খেদাও অভিযান শুরু করেছেন। এর অংশ হিসেবে গত মে মাস থেকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তে শুরু হয়েছে ভারতের অবৈধ পুশইন।
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বাংলাভাষী মুসলমানদের কোনো প্রমাণ ছাড়াই বাংলাদেশি আখ্যায়িত করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো দেশে অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হলে তাদের পরিচয় যাচাই ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ট্রাভেল পারমিট দিয়ে ফেরত পাঠানোর কথা। কিন্তু ভারত কোনো যাচাই-বাছাই বা অনুরোধ ছাড়াই একতরফাভাবে মানুষকে সীমান্ত পার করার চেষ্টা করছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি বর্তমানে সীমান্তবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় অন্যায় ও অবৈধ পুশইন প্রতিহত করে চলছে। তবে নয়াদিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত বিএসএফ-বিজিবি শীর্ষপর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের অন্যায়ের কাছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নতজানু নীতি গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকের পর দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে পুশইন শব্দটি নেই। যৌথ বিবৃতিতে সীমান্ত হত্যার বদলে লেখা হয়েছে ‘সীমান্তে সংঘটিত মৃত্যু’।
পুশইনকে শুধু বিজেপির নোংরা ভোটের রাজনীতি হিসেবে দেখা আমাদের জন্য হবে মারাত্মক ভুল । আরএসএস-বিজিপির লক্ষ্য ভারতকে মুসলমানমুক্ত করা। একই সঙ্গে তাদের লক্ষ্য অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠা করা, যার অবিচ্ছেদ্য অংশ বাংলাদেশ। ভারতের মুসলমানদের নাগরিকত্ব হরণের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে পাস করা হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলমানরা আজ আরএসএস-বিজেপির এই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার নির্মম শিকার। পশ্চিমবঙ্গে গত এপ্রিলে নির্বাচনের আগে ৯২ লাখ ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩১ লাখের বেশি মুসলমান। এটি তাদের নাগরিকত্ব হরণের একটি ধাপ। ২০১৯ সালে আসামের বিজেপি সরকার ১২ লাখ বাংলাভাষী মুসলমানদের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। এরপর থেকে আসাম সরকার শত শত বাংলাভাষী মুসলমানদের রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পুশইন।
বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ থেকে ১৫ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে, যারা মিয়ানমারের নাগরিক। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোনো অবস্থাতেই ভারত থেকে অবৈধভাবে ঠেলে দেওয়া একজন মানুষকেও যেন বাংলাদেশ গ্রহণ না করে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাসরত সব অবৈধ ভারতীয়দের চিহ্নিত করে তাদের ভারতে ফেরত পাঠানোর পদক্ষেপ নিতে হবে জরুরি ভিত্তিতে। অতীতে বাংলাদেশে ২৬ লাখ ভারতীয় কর্মরত থাকার কথা বলেছেন অনেকে। তবে সংবাদপত্রের বিভিন্ন লেখায় তাদের সংখ্যা ৫ লাখ থেকে ১২ লাখ পর্যন্ত উল্লেখ আছে। বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থে বৈধ ও অবৈধভাবে কত ভারতীয় আছে, তা সঠিকভাবে নির্ণয় করা সরকারের অবশ্য কর্তব। কারণ বাংলাদেশের লাখ লাখ প্রবাসী বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে দেশে রেমিট্যান্স পাঠান। আর বাংলাদেশের মতো একটি দেশ হলো ভারতের রেমিট্যান্স আয়ের অন্যতম উৎস। এক দশকের বেশি সময় ধরে ভারত বিশ্বের যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আয় করে সে তালিকায় বাংলাদেশের নাম কখনো চতুর্থ ও কখনো পঞ্চম স্থানে থাকে। ২০১৪ সালের ১১ এপ্রিল ভারতের দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ভারত ৭০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আয় করেছে, যা ভারতের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই আয়ের পেছনে যে দেশগুলোর অবদান সর্বোচ্চ, তার মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম। প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়রা বছরে কমপক্ষে ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স নিয়ে যায়। এটি মেনে নেওয়ার মতো নয়। বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেখানে বেকার ঘুরে বেড়ান, সেখানে তাদের বাদ দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এভাবে ভারতীয়সহ বিভিন্ন দেশের লোকজনকে উচ্চ বেতনে রাজকীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আর কতকাল পুষতে হবে আমাদের?
বাংলাদেশে হাসিনার চেয়ে বেশি আর কেউ ভারতের প্রতি নতজানু হতে পারবেন না। সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েও বাংলাদেশ ভারতের কাছে কোনো মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার পায়নি। বস্তুত হাসিনা সরকার ভারতকে স্বার্থ দেওয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ রক্ষা বা আদায় করতে চায়নি। তারা চেয়েছিল শুধু ক্ষমতায় থাকার নিশ্চয়তা। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পেছনে মূল বিষয় ছিল হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে হটানোর মাধ্যমে দেশকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করা। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক ব্যর্থতা থাকলেও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আচরণ ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকারের মতো, যা দেশবাসী এর আগে দেখেছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে। ভারত প্রশ্নে দেশপ্রেমিক জনতা এখনো জিয়াউর রহমান এবং ইউনূস সরকারের মতো অবস্থান দেখতে আগ্রহী। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন সরকারের আচরণ, বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তির বক্তব্য-বিবৃতিতে ভারত বিষয়ে যে মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে, তা গভীর উদ্বেগজনক। বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত আমূল পরিবর্তন ঘটে গেছে। চীন-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধ আর থাকছে না ভবিষ্যতে। ফলে যে যুক্তরাষ্ট্র এত দিন চীনকে মোকাবিলায় ভারতকে মাথায় তুলে রেখেছিল, তারা ভারতকে তাদের মাথা থেকে নামিয়ে ফেলেছে। আরো বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভারত এখন গুরুত্বহীন একটি দেশ। তাই সময় এসেছে বাংলাদেশকে তার নিজের প্রকৃত বন্ধু চিনে নেওয়ার। এ জাতি শাসকের আর কোনো ভুলের খেসারত দিতে প্রস্তুত নয়। বাংলাদেশকে অবশ্যই চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিকসহ সব দিক দিয়ে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গঠনের পাশাপাশি বিজিবিকেও আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তিতে সজ্জিত করতে হবে ভারতের সীমান্তসহ সব ধরনের আগ্রাসন ও অন্যায় আচরণ মোকাবিলায়।
লেখক : সহকারী সম্পাদক, আমার দেশ