হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক সব ভবিষ্যৎ আইনপ্রণেতা

মাহমুদুর রহমান

শতাধিক ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক সম্ভাব্য আইনপ্রণেতাদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গত সপ্তাহে পরপর কদিনের নাটক শেষে দু-একজন নিতান্তই হতভাগ্য ছাড়া সবারই মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এক বিশাল অঙ্কের ঋণখেলাপির মনোনয়ন বৈধ করে দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্বখেদে মন্তব্য করেছেন, ‘মনোনয়ন বৈধ করলাম, ব্যাংকের টাকাটা এবার দিয়ে দিয়েন।

টাকাটা না দিলে কিন্তু জনরোষ তৈরি হবে। মানুষ হিসেবে এটা আপনাকে বললাম।’ যে প্রার্থীকে উদ্দেশ করে নির্বাচন কমিশনার শুধু একজন মানুষ হিসেবে নিতান্ত অসহায় মন্তব্যটি করেছেন, তার খেলাপি ঋণের পরিমাণ নাকি হাজার কোটি টাকার বেশি! এই পরিমাণ টাকা কারা এবং কেন একজনকে ঋণ দেন সেটাও এক রহস্য।

পাঠক ধরে নিন, উপরোক্ত প্রার্থী নির্বাচনে জিতলেন এবং তার দল সরকার গঠন করল। সেক্ষেত্রে, পাওনাদারদের (ব্যক্তি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান) ঘাড়ে মাথা কয়টা থাকবে যে, পাওনা আদায় করতে তারা ভবিষ্যৎ সরকারি দলের ঋণখেলাপি সংসদ সদস্যের চৌহদ্দিতে পা দেওয়ার সাহস করবেন? তাছাড়া যে ব্যক্তি প্রায় দুই দশক বিরোধী দলে থেকেও এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ নিতে পেরেছেন, তার ক্ষমতাটাও তো আন্দাজ করতে হবে।

তিনি এখনই এতখানি ক্ষমতাবান যে, একজন নির্বাচন কমিশনার তাকে ঋণখেলাপি জেনেও মনোনয়নের বৈধতা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এমন প্রভাবশালী ব্যক্তি নিশ্চয়ই পূর্ণ মন্ত্রী না হয়ে ছাড়বেন না। বলা যায় না, হয়তো অর্থমন্ত্রীও হয়ে যেতে পারেন। কাজেই মানুষ হিসেবে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদের বলা সদুপদেশের বাস্তবে কানাকড়ি মূল্য নেই।

কোটি টাকার প্রশ্ন হলো, আসলেই কি ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকার এবং এএমএম নাসির উদ্দিন কমিশন ঋণখেলাপিদের নির্বাচন থেকে আটকাতে চেয়েছে? আমার এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। প্রতিবার সংসদে দলে দলে ঋণখেলাপি পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনেই যাবতীয় বন্দোবস্ত করে রাখা হয়েছে। একটা উদাহরণ দিলেই পাঠক শুভংকরের ফাঁকি ধরতে পারবেন।

ধরুন, মিস্টার ‘এক্স’ একজন বিশাল শিল্পপতি, যার প্রতিষ্ঠানের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং তিতাস গ্যাস কোটি কোটি টাকা পাবে। ‘এক্স’ সাহেব তার শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালিয়ে শতকোটি টাকা আয় করলেও বছরের পর বছর গ্যাস আর বিদ্যুৎ বিল বাকি রেখে দিয়েছেন। এই কাজের জন্য অবশ্য সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টগুলোতে মাসে মাসে ভালোই খরচাপাতি করতে হয়েছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ার সাহেবদের সততার আবার তেমন একটা সুনাম নেই। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এসব কোটি টাকার বিলখেলাপিদের মনোনয়ন অবৈধ বলা যাবে না। কারণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির তিনি চেয়ারম্যান কিংবা ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলেও বকেয়ার দায় কেবল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের, তার মালিকের নয়।

প্রতিষ্ঠান তো আর নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছে না, তাই কোম্পানি দায়গ্রস্ত হলেও মালিকের মনোনয়ন বৈধ হতে কোনো বাধা নেই। কী চমৎকার বন্দোবস্ত! এখন নির্বাচন কমিশনের কর্তাব্যক্তিরা যদি বলেন যে তারা আইনের এসব ফাঁকফোকরের কথা জানতেন না, তাহলে আমরা আমজনতা আর কীইবা করতে পারি! আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদদের মধ্যে অধিকাংশের এ-জাতীয় বিপুল অঙ্কের দায়দেনা রয়েছে।

বিগত দেড় বছরে আইনের সঠিক সংস্কার হলে গ্যাসবিল আর বিদ্যুৎবিল মেরে দেওয়া এসব তথাকথিত ধনী ব্যক্তি আজ নির্বাচনে অযোগ্য হতেন। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর যেসব উপদেষ্টার সমন্বয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারটি গঠিত হয়েছিল, দুর্ভাগ্যবশত তাদের অধিকাংশেরই এসব বিষয়ে কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং এনজিও চালানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে তারা যতটুকু পেরেছেন, সেটাই মোটামুটি সততার সঙ্গে করার চেষ্টা করেছেন। তাদের সেই প্রচেষ্টা যথেষ্ট ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।

আচ্ছা, অপরাধ কি শুধুই সরকারের উপদেষ্টা, নির্বাচন কমিশন, কিংবা সরকারি কর্মকর্তাদের? ভোটারদের কি এতে কোনো দায় নেই? এই ঋণখেলাপি ও বিলখেলাপি রাজনীতিবিদরা সবাই যার যার নির্বাচনি এলাকায় একেকজন বিরাট দানবীর। সরকার এবং ব্যাংকের টাকা মেরে দিয়ে তারা এলাকার লোকজনকে বেশ উদার হাতেই সাহায্য করে থাকেন। আর নির্বাচনের মৌসুমে তো একেবারে বেহিসাব খরচ। প্রতিদিন টাকা ওড়ে।

ভোটাররা এতেই খুশি। ফেলো কড়ি মাখো তেল। হাতে টাকা, বাক্সে ভোট। এলাকার লোকজন অর্থাৎ ভোটাররা ব্যাংকের কিংবা সরকারের টাকা মেরে দেওয়াকে কোনো অপরাধ বলেই মনে করেন না। বরং এটা একটা অহংকার করার মতো বিষয়। সাহেবের ক্ষমতা আছে বলেই না হাজার কোটি টাকা মেরে দিতে পেরেছেন। সবাই কি পারে? এই মেরে দেওয়া টাকা যে আসলে জনগণের এবং ভোটাররা সেই জনগণের অংশ, সেটা আজ পর্যন্ত অধিকাংশ মানুষকে বোঝানো সম্ভব হয়নি। এ জন্যই বর্তমান নির্বাচনের তরুণ প্রার্থীরা টাকার অভাবে নির্বাচনের আগেই হেরে বসে আছেন। এলাকায় কান পাতলে চারদিকে শুধু টাকার জন্য হাহাকার শুনতে পাবেন। ড. ইউনূস নির্বাচনের কলুষিত ‘সিস্টেম’ বদলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আগামী সংসদের চরিত্রের তেমন একটা পরিবর্তনের আশা আমাদের না করাই ভালো।

এবার দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের বিষয়ে খানিকটা আলোচনা করা যাক। বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে কেউ স্বেচ্ছায় আর কেউবা বাধ্য হয়ে বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব গ্রহণকারীদের মধ্যে উচ্চবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী, সামরিক ও বেসামরিক আমলা, রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, আইনজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবী, বিদেশে পড়তে গিয়ে সে দেশে সফল ও প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবী, জন্মসূত্রে বিদেশি নাগরিক, আমেরিকায় ডিভি-ওয়ানসহ অন্যান্য বিশেষ স্কিমপ্রাপ্ত ভাগ্যবান ব্যক্তি এবং কাজের খোঁজে বিদেশে গিয়ে নানা উপায়ে নাগরিকত্ব গ্রহণকারীরা রয়েছেন। এর বাইরে একটি শ্রেণি রয়েছে যারা রাজনৈতিক কারণে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন এবং ‘অ্যাসাইলাম’ ও অন্যান্য উপায়ে বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আমার সহকর্মী অলিউল্লাহ নোমানের কাহিনি বলি।

২০১২ সালের ডিসেম্বরে আমার দেশ পত্রিকায় স্কাইপ কেলেঙ্কারি প্রকাশিত হলে অলিউল্লাহ নোমানের জীবনের নিরাপত্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে আমি তাকে কয়েক ঘণ্টার নোটিসে লন্ডনে পাঠাতে বাধ্য হয়েছিলাম। সেই সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান অ্যামনেস্টির বাংলাদেশ ডেস্কের প্রধান ব্যক্তির সঙ্গে আমার বেশ বন্ধুত্ব ছিল। আমি তাকে নোমানের ‘অ্যাসাইলামের’ ব্যাপারে সহায়তা করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছিলাম।

তিনি অনুরোধ রক্ষা করেছিলেন। এ ছাড়া তখন লন্ডনে একজন বাংলাদেশি নবীন ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজের সহায়তাও চেয়েছিলাম। আমার ছোট ভাইয়ের সমতুল্য ইঞ্জিনিয়ার তারিক বুয়েটের ছাত্রদলের প্রেসিডেন্ট এবং ভিপি ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার তারিক লন্ডনে গিয়ে পেশা পরিবর্তন করে আইনজীবী হয়ে গেছেন। নোমান লন্ডনে গিয়ে অমানুষিক কষ্ট করেছেন। কয়েক বছর একা থেকে তারপর পরিবার নিতে পেরেছিলেন। এখন তারা সপরিবারে ব্রিটিশ নাগরিক। জামায়াত এবারের নির্বাচনে হবিগঞ্জ থেকে নোমানকে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করেও জোটের স্বার্থে খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি আহমেদ আবদুল কাদেরকে আসনটি ছেড়ে দিয়েছে। আমি নোমানের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত একেবারেই পছন্দ করিনি। সহকর্মীরা জানেন যে, কারো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমি কখনো বাধা হই না। তাই আমার অপছন্দের বিষয়টি আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেও নোমানের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছিলাম।

শেষ পর্যন্ত নোমানের প্রার্থিতা চলে যাওয়ায়, আমি মনে করি তার ভাগ্য ভালো যে, তাকেও অন্যদের মতো আজ দ্বৈত নাগরিক বিতর্কে পড়তে হয়নি। আমি নিজেও প্রায় নাগরিকহীন অবস্থায় আল্লাহর রহমতে ২০২০ সালে তুরস্কের নাগরিকত্ব পেয়েছিলাম। কাকতালীয়ভাবে আজকের মন্তব্য প্রতিবেদন আমি তুরস্কে বসেই লিখছি। আমার এই তুর্কি নাগরিকত্ব নিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেল যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল করছিল, তখন তারা একবারও তাদের দলের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী নেতাদের আসন্ন মহাবিপদ নিয়ে কোনোরকম চিন্তা করেনি।

মূর্খ বন্ধুরা এভাবেই বিপদে ফেলে। শুধু তা-ই নয়, বিএনপির মিডিয়া সেলের সেই সব সদস্যও কিন্তু নানা উপায়ে বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়েছেন অথবা কোনো বৈধ-অবৈধ কাগজপত্র নিয়ে সেসব দেশে আশ্রয় পেয়েছেন। এই শ্রেণির লোকেরা কখনো আয়নায় নিজের চেহারা দেখেন না। কাচের ঘরে বসে তারা অবলীলাক্রমে অন্যের ঘরে ঢিল ছুড়ে যায়। এরা এতটাই নির্বোধ যে, এই সামান্য বিষয়টি বুঝতে পারল না। আমার যেহেতু নির্বাচনে দাঁড়ানোর কোনোরকম ইচ্ছা নেই, কাজেই আমার দ্বৈত নাগরিকত্বে কিছু যায় আসে না। আমার বিরুদ্ধে তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা এখন বুমেরাং হয়ে দলের নেতাদেরই জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

পুনরায় ইউনূস সরকার এবং নাসির উদ্দিন কমিশনের ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলতে হচ্ছে। তারা কি জানতেন না যে, বিদ্যমান আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বেশ ঝামেলা আছে? আমি যতদূর জানি, আইনে বলা আছেÑকোনো দ্বৈত নাগরিক বাংলাদেশের সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। অধিকাংশ রাজনীতিবিদ এই আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এতদিন ধরে একটা চালাকি করে এসেছেন। তারা নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীপদ জমা দেওয়ার ঠিক পূর্বমুহূর্তে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের একটা ঘোষণা দিয়েই কাজ সেরেছেন। পরবর্তী সময়ে সেই ঘোষণা আদৌ কার্যকর হয়েছে কি না, সেই খবর আর কেউ রাখেনি। অনেকে আবার নিজেদের বিদেশি নাগরিকত্বের ব্যাপারটি বেমালুম গোপন করে নির্বাচনের বৈতরণী পার হয়েছেন।

হাসিনার মন্ত্রিসভার এক বিপুল অংশ তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েই বাংলাদেশে বছরের পর বছর মন্ত্রিত্ব করে গেছেন। কথায় আছে না, চুরিবিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ে ধরা! অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ করে বিএনপির সব প্রভাবশালী নেতা এবং দলবাজ টকশো স্টাররা দিনের পর দিন ঝড় তুলেছেন। তারা বিশেষ করে আমার কলেজ জীবনের বন্ধু, নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বসহ নানারকম অরুচিকর অভিযোগ করেছেন।

ইদানীং শুনতে পাচ্ছি, খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিএনপির পুরোনো বন্ধুত্ব ঝালাই হয়েছে। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের ব্যক্তিগত সচিবের দায়িত্ব পালনকালে খলিলুর রহমান বিএনপির যথেষ্ট উপকার করেছিলেন। মোদ্দা কথা, দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যু তুলে এখন বিএনপি বেশ ফেঁসে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। জনগণের জেনে রাখা দরকার যে, দ্বৈত নাগরিকত্বের ঝামেলা কেবল বিএনপি নয়, জামায়াতের মধ্যেও রয়েছে। দ্বৈত নাগরিক হওয়াটা কোনো অপরাধ নয়, কোনো বেআইনি কাজও নয়।

অপরাধ হলো, দ্বৈত নাগরিক হয়ে সেটা লুকিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের মিথ্যা হলফনামা পেশ করা। আমার ধারণা, মনোনয়ন বৈধ হয়ে যাওয়া অনেক প্রার্থীর সঠিক খোঁজখবর নিলে মিথ্যা হলফনামা দেওয়া সম্ভাব্য সংসদ সদস্যদের দেখা এখনো মিলবে। জনগণের উচিত নির্বাচনের পরও এই খোঁজ অব্যাহত রাখা। সংসদ সদস্য বনে যাওয়ার পর যদি সেই ব্যক্তির দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে প্রথমে অবশ্যই আদালতে যেতে হবে। সেখানে ন্যায়বিচার না পাওয়া গেলে রাজপথ তো কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। যে পরিবর্তনের স্বপ্ন বুকে নিয়ে আবু সাঈদ, আনাস, মুগ্ধরা মহান জুলাই বিপ্লবে জীবন দিয়েছিল সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটই গণতন্ত্রের শেষ সুযোগ

বেহেশতের টিকিট বনাম দুনিয়ার রাজনীতি

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও ডিপ স্টেট

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ঘিরে রিফাইন্ড লীগের বুলবুলি আখড়াই

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা

‘এই দিনে ১১ মিনিটে বাকশালী শাসন কায়েম করেছিলেন শেখ মুজিব’

নতুন উচ্চতায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাত

সবুজ পাসপোর্টের মানোন্নয়ন জরুরি

বিশ্বে বিরল মৃত্তিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম ভান্ডার গ্রিনল্যান্ড

নির্বাচন বিতর্ক ও জাতীয় ঐক্য