ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে হুতিরা পুরো ইয়েমেনে নিজেদের সামরিক প্রভাব বিস্তারের জন্য নতুন অভিযানে নেমেছে। গত মঙ্গলবার, ইরানের সমর্থনপুষ্ট এই গোষ্ঠীটি সৌদি আরবে একের পর এক ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। আহত হয় ৭০ জনেরও বেশি মানুষ।
এরপর বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে তুমুল লড়াইয়ের পর, হুতি বাহিনী লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে পরাজিত করে। একই সঙ্গে তারা কৌশলগতভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দরটি দখল করে নেয়।
পরদিন শুক্রবার ইয়েমেন সরকার জানাল, হুতিরা লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযোগকারী বাব আল-মান্দেব প্রণালির মুখে অবস্থিত পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনা ইয়েমেনের ক্ষমতার ভারসাম্য পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে পুরো অঞ্চলে।
চলতি সপ্তাহের আগ পর্যন্ত মোখা শহরটি হুতিবিরোধী জোটের অন্যতম মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল। বিদ্রোহীদের রুখে দিতে এটা ছিল বড় শক্ত ঘাঁটি। এই অভিযানের মাধ্যমে হুতিরা উপকূলের আগের স্থিতাবস্থা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ২০২২ সাল থেকে যে যুদ্ধবিরতি চলে আসছিল, সেটিও তারা নস্যাৎ করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর ইয়েমেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরো পাকাপোক্ত করার পথ তৈরি করেছে তারা।
তবে এ জয়টি শুধু হুতিদের নয়। একে ইরানেরও বড় জয় বলা চলে। কারণ বাব আল-মান্দেব থেকে ৫০ মাইলেরও কম দূরত্বে অবস্থিত মোখা বন্দর আর পেরিম দ্বীপÑএই দুটো জায়গারই পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন হুতিদের হাতে। ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিতে এখন হুতিরা মূল শক্তিকেন্দ্র হয়ে উঠবে। আর এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সহজেই তারা বাধা দিতে পারবে।
গত জুলাই মাসে সৌদি আরবের ওপর হামলার মাধ্যমে হুতিদের এই আগ্রাসন শুরু হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে হামলার সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইরান যুদ্ধের সময় সৌদি তেল পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে লোহিত সাগরই ছিল প্রধান ভরসা।
হুতি নেতারা তাদের এই পদক্ষেপকে স্থানীয় ঘটনা দাবি করলেও, তেহরানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আরো গভীর ও মজবুত বলেই মনে হচ্ছে। তারা সরাসরি সৌদি আরবে ও সৌদি তেলের জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা আসলে ইরান যুদ্ধের আরেকটি নতুন যুদ্ধক্ষেত্র খুলে দিল। এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক সংঘাতকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বের জ্বালানি ও অর্থবাজারেও এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে ইয়েমেনের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে হবে। অর্থাৎ, রাজধানী সানাসহ হুতি-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোয় সৌদি আরবের সব ট্রানজিট বাধা তুলে নিতে হবে। একই সঙ্গে ইয়েমেন সরকারের প্রতি যাবতীয় সমর্থন বন্ধ করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ইরান ও তার মিত্ররা এই অঞ্চলে নতুন এক ব্যবস্থার জন্ম দিতে চাচ্ছে।
বর্তমানে হুতিদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার পথগুলো ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠছে। সামনের দিনগুলোয় যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে। তবে কয়েকটি কঠিন বাস্তব সত্য এরই মধ্যে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।
প্রথমত, সামরিক শক্তি দিয়ে হুতি হুমকি পুরোপুরি শেষ করা একেবারেই সম্ভব নয়। ইয়েমেন সরকার মুখে বড় বড় কথা বললেও তাদের নিজেদের বাহিনীর মধ্যেই চরম বিভাজন রয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহের অভিযানে তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব সরাসরি আকাশপথে কোনো সহায়তা বা অন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য দিতে পারেনি। এতে বোঝা যায়, হুতিবিরোধী জোট আর রিয়াদের মধ্যে সমন্বয়ের মারাত্মক অভাব রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, হুতিদের সাম্প্রতিক সাফল্য আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এখন তাদের দাবিতে আরো বেশি অনড় থাকবে। আর লোহিত সাগর এলাকা জুড়ে আধিপত্য বিস্তারে আগের চেয়েও অনেক বেশি আগ্রাসী হয়ে উঠবে তারা।
এই সংকটের কোনো সহজ বা রাতারাতি সমাধান নেই। এই মুহূর্তে সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ইয়েমেনি মিত্রদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রগুলোকে হুতিদের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা। উত্তর ইয়েমেন এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুতিরা যাতে পুরোপুরি নিজেদের শাসন বসাতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর দিতে হবে।
তবে এর বাইরেও হুতিবিরোধী জোটের ভেতরে যে ফাটল তৈরি হয়েছে, সেগুলোর সমাধান করা খুবই জরুরি। ইয়েমেন সংকট সমাধানের জন্য তাদের একটি বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। তা না হলে সরকারি বাহিনীর ভেতরে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। আর এর সুযোগ নিয়ে পুরো অঞ্চল জুড়ে হুতি হুমকি মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
প্রণালি থেকে সাগরে
ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বেশ কয়েক মাস হুতিরা একদম চুপচাপ ছিল। কিন্তু জুলাই মাসে সেই শান্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে যায়। ইরানের একটি ফ্লাইট হুতি প্রতিনিধিদের একটি দলকে নিয়ে সানায় নামার চেষ্টা করে। স্থানীয় আকাশসীমার ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে সৌদি ও ইয়েমেনি বাহিনী রানওয়েতে বোমাবর্ষণ করে এবং বিমানটিকে হোদেইদায় অবতরণ করতে বাধ্য করে।
এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে হুতিরা ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে ফেলে। তারা সরাসরি সৌদি আরবের ওপর হামলা চালায় এবং নতুন করে যুদ্ধে নেমে পড়ে।
হুতিদের এই নতুন অভিযান সৌদি আরবের দুর্বল জায়গাতেই আঘাত হেনেছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকির কারণে লোহিত সাগর পথটি সৌদি তেলের পরিবহনের জন্য খুবই জরুরি ছিল। কিন্তু হুতিদের আক্রমণের কারণে বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে সৌদি তেলের রপ্তানি প্রায় ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। ইয়ানবুর কাছের এলাকাগুলোতে হামলা চালিয়ে হুতিরা এখন মিসরমুখী উত্তরের তেল পথগুলোকেও হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত ইয়েমেনের ভেতরে হুতিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আরো উসকে দিয়েছে। পরিস্থিতি স্থবির হয়ে থাকায় বিরক্ত হয়ে তারা শান্তি আলোচনা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে। যদিও হুতিদের নিজস্ব কার্যকলাপই ছিল শান্তির প্রধান বাধা।
২০২৩ সালে জাতিসংঘ একটি পরিকল্পনা জমা দিয়েছিল। সেখানে হুতিদের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে সরকারি বেতন এবং জ্বালানি রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। হুতিরা সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেয়। তারা গাজা যুদ্ধের সময় লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা চালানো শুরু করে। তারা ভেবেছিল পরে সুবিধামতো সময়ে তারা আবার শান্তিতে ফিরে আসতে পারবে।
‘অপারেশন রাফ রাইডার’-এর অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হুতিদের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এতে হুতিদের শীর্ষ বেশ কয়েকজন নেতা নিহত হন। অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু এত কিছুর পরও হুতিরা পিছিয়ে পড়েনি। বরং নিজেদের তারা আরো শক্তিশালী মনে করতে শুরু করেছে। বিশ্বশক্তিগুলোর মুখোমুখি হওয়ায় অঞ্চলে তাদের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হয়েছে। ইরানের ‘প্রতিরোধ নেটওয়ার্ক’-এর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়েছে এবং তারা সাধারণ মানুষের চোখে বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা বীর হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পেরেছে।
হুতিরা ক্রমাগত তাদের অস্ত্রভান্ডার বাড়িয়ে চলেছে। জাহাজে নিখুঁতভাবে হামলা চালানোর জন্য রাশিয়া তাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। তবে সৌদি আরবের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে রাশিয়া সরাসরি তাদের কোনো অস্ত্র দেয়নি। তা সত্ত্বেও, নতুন বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক এবং স্থানীয় প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে হুতিরা ইরানের সরাসরি চালান ছাড়াই নিজেদের মারাত্মক সব অস্ত্র বানিয়ে চলেছে।
হুতিরা এখন ২০২৩ সালের চুক্তির বাইরেও অনেক বড় দাবি তুলছে। তারা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণও দাবি করছে। কিন্তু তাদের ভেতরের অর্থনৈতিক সংকট তাতে ঢাকা পড়ছে না। ইয়েমেনের সাধারণ মানুষ চরম খাদ্য সংকটে ভুগছে। দেশটির অর্ধেকেরও বেশি মানুষ পেটে খাবার পাচ্ছে না এবং লাখ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।
রিয়াদের রেডলাইন
হুতিদের চাপে নতি স্বীকার না করে সৌদি আরব উল্টো তাদের অবস্থান আরো কঠিন করেছে। বড় কোনো যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান নতুন নতুন নিরাপত্তা জোরদার করার চেষ্টা করছেন। রিয়াদ লোহিত সাগরে ১৪টি দেশের একটি যৌথ নৌ-জোট গঠন করেছে। এছাড়া তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
পাকিস্তান এরই মধ্যে ইরানকে সতর্ক করে দিয়েছে, যাতে তারা হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে ইয়েমেনের মূল যুদ্ধে তুরস্ক বা পাকিস্তান কোনো পক্ষই সরাসরি অংশ নেয়নি।
এদিকে রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও সরাসরি সাহায্য চেয়েছে। ওয়াশিংটন সানা বিমানবন্দরে হামলার অনুমতি দিয়েছে। দুই দেশ মিলে তারা ইরাকে অবস্থানরত ইরানি মিলিশিয়াদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে সরাসরি পূর্ণ সামরিক সহায়তা দেবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। কারণ ওয়াশিংটন হুতিদের সঙ্গে তাদের পুরোনো যুদ্ধবিরতি ধরে রাখতে চায় এবং নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে তারা একদমই আগ্রহী নয়।
হুতিবিরোধী বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টাগুলো বারবার ব্যর্থ হয়েছে। গত জানুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ যখন দক্ষিণ ইয়েমেন দখলের চেষ্টা করে, তখন সৌদি আরব আমিরাতকে সেখান থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। আমিরাতের এই সরে যাওয়ার পর রিয়াদ সরাসরি ভেঙে পড়া জোটের দায়িত্ব নেয়। হুতিরা যখন মোখা দখল করছিল, তখন পিছু হটতে থাকা সরকারি সেনারা দক্ষিণী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ফলে জোটের ভেতরের কঙ্কালসার চেহারা এবং গভীর ফাটল প্রকাশ্যে চলে আসে।
দ্বিগুণ বাধা
ইরান হুতিদের কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। একদিকে হরমুজ প্রণালি এবং অন্যদিকে বাব আল-মান্দেব প্রণালিÑএই দুই সমুদ্রপথে হুমকি দিয়ে ইরান ও হুতিরা বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে।
হুতিদের কৌশল ও সিদ্ধান্ত নির্ধারণে তেহরানের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। ইয়েমেনে ইরাকি মিলিশিয়াদের আগমন এবং সোমালিয়া ও সুদানভিত্তিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে হুতিদের যোগাযোগ বাড়ছে। ফলে এ অঞ্চলের একটি স্থানীয় যুদ্ধ খুব সহজেই বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ইসরাইল, রাশিয়া, তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বড় দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
কঠোর পদক্ষেপ নাকি বোমাবর্ষণ
সৌদি আরব এখন এক কঠিন দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। হয় তাদের একটি বড় যুদ্ধে জড়াতে হবে, যার শেষ কোথায় কেউ জানে না। আর না হয় হুতিদের নানা শর্ত মেনে নিয়ে তাদের আরো শক্তিশালী হতে দিতে হবে। এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনতে হলে, জোটের ভেতরের মতভেদ ভুলে এক হতে হবে। হুতিদের ওপর সঠিক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা শেষ পর্যন্ত একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তিতে আসতে বাধ্য হয়।
ফরেন অ্যাফেয়ার্স থেকে সংক্ষেপিত ভাষান্তর : জুলফিকার হায়দার