হোম > রাজনীতি

জিয়াউর রহমানের খুনি মোজাফফরকে দেশ-বিদেশে কারা আশ্রয় দিয়েছে, প্রশ্ন রিজভীর

স্টাফ রিপোর্টার

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার ৪৫ বছর পর হত্যাকারী মেজর মোজাফফর হোসেন গ্রেপ্তার হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বিচারহীনতা ও দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “এই ৪৫ বছর সে কোথায় ছিল? আন্তর্জাতিকভাবে কিংবা দেশের ভেতরে কারা তাকে আশ্রয় দিয়েছে?”

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি।

রিজভী বলেন, শুধু মেজর মোজাফফর নন, সে সময়ের নানা ঘটনারও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও মূল্যায়ন প্রয়োজন। কাদের সিদ্দিকীর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি সে সময় অন্য দেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং তাকে অস্ত্র দেওয়া হয়েছিল। দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাকে কারা ব্যবহার করেছিল, সেটিও এখন আলোচনার সময় এসেছে।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের কথা স্মরণ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দল—এই বিপ্লবের সন্তান। বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং মানুষের মুক্তভাবে কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই বিএনপির জন্ম হয়েছে। বিএনপির ভেতরে বিপ্লবের শক্তি অন্তর্নিহিত রয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। দলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান, শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে দলের শীর্ষ নেতার দেশে প্রত্যাবর্তন এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ প্রমাণ করেছে যে, মানুষের শ্রম, ত্যাগ ও আত্মদান কখনো বৃথা যায় না।

তিনি বলেন, “ন্যায়ের শূন্যতা একদিন নানা কিছু দিয়ে ভরিয়ে দেবে। তাই হতাশ না হয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।”

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির প্রশংসা করে রিজভী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরিসর বাড়াচ্ছে এবং কৃষক কার্ড চালু করেছে। এক-দুই বছরের মধ্যে এসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাবে। তখন জাকির হোসেন নান্নুর মতো ত্যাগী নেতাদের আত্মদান আরও বেশি সার্থক হয়ে উঠবে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের ছেড়ে প্রবাসে নানা নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করার পর দলের চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণকে তিনি একটি “বড় ও অস্বাভাবিক ঘটনা” হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় নেতাকর্মীদের প্রতি তার নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার আহ্বান জানান রিজভী।

তিনি বলেন, বিগত প্রহসনের “আমি এবং ডামি” নির্বাচনের পর যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে বর্তমান অর্জন একটি বড় রাজনৈতিক বিজয়।

রিজভী একই সঙ্গে সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ওই আন্দোলনে মুগ্ধ, ওয়াসিম ও আবু সাঈদসহ বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। তার অভিযোগ, সে সময় পুলিশের সঙ্গে মিলে গুলি চালিয়ে রক্তের বন্যা বইয়ে দেওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছে। তাদের কারা আশ্রয় দিয়েছে, সে বিষয়েও জবাবদিহি হওয়া প্রয়োজন।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুসহ যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতে বিরোধীদল লংমার্চ করবে: গয়েশ্বর

শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরুর কারণ জানাল ১১ দলীয় ঐক্য

জামালপুরে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি যুবশক্তির

শ্রমিকদের জন্য জরুরি মহার্ঘ ভাতা দাবি সাইফুল হকের

জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কাউন্সিল ১২ সেপ্টেম্বর

শাপলা চত্বরে লংমার্চের প্রস্তুতি পরিদর্শন জামায়াত নেতাদের

মেয়র নির্বাচনে মামুনুল হকের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে যা জানাল খেলাফত মজলিস

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছাড়া গণতন্ত্র সম্ভব নয়: নাহিদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব ধর্মের মানুষ সমান

প্রযুক্তি এগোলেও শ্রমিক পিছিয়ে থাকবে না: শিমুল বিশ্বাস