বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সদ্যঘোষিত নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ব্যাপক বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। একপর্যায়ে জরুরি সভা স্থগিত করা হয়। রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় এই ঘটনা ঘটে।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে বিতর্কিতদের দায় একজন আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। এ নিয়ে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নও নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদর কথাবার্তা ‘তুই-তুকারির’ পর্যায়ে চলে যায়।
যুবদলের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানান, নতুন কমিটির বিতর্কিত ও দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে নিষ্ক্রিয় থাকা সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চান যুবদলের সভাপতি মুন্না। এ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। পাল্টা সাধারণ সম্পাদক নয়নও নিষ্ক্রিয় মো. কামরুজ্জামান, শামসুজ্জোহা সুমন ও মনিরুল ইসলাম সোহাগের বিগত আন্দোলনে ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।
অন্য একটি সূত্র জানায়, কমিটির মান ও মর্যাদা নষ্ট হওয়ার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। সদ্যঘোষিত কমিটির সহসভাপতি মাহমুদুস সালেহীন আরেক সহসভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়াকে যথাযথ সম্মান না দেওয়ার বিষয়টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন। এই সময় মাহমুদুস সালেহীনের রাজনীতি না করে পদ পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, “তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহসভাপতি হয়েছ।” এমন সময় ফিরোজ আব্দুল্লাহ ক্ষুব্ধ হয়ে মিটিং থেকে বের হয়ে যান। পরে উত্তেজনা আরও চরম মাত্রায় পৌঁছালে মিটিং স্থগিত করা হয়।