হোম > রাজনীতি

ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে আলোচনায় যারা

জামিল মাহমুদ

রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি, নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ৭ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠিত হয়েছিল ২০২৪ সালের ১ মার্চ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির মেয়াদ দুই বছর শেষে ছাত্রদলকে বিদায় জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন রাকিবুল ইসলাম রাকিব। এর একদিন আগে একই সুরে সুর মিলিয়েছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাসিরও। তিনি ১৩ আগস্ট ছাত্রদলকে বিদায় জানানোর আবেগঘন এক বার্তা দেন।

এরপর থেকে বিএনপির এ ছাত্রসংগঠনের নতুন কমিটির অপেক্ষায় আছেন নেতাকর্মীরা।

নতুন কমিটিতে রাজপথের সক্রিয়, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

সংগঠনের নীতি-নির্ধারক ও বিশেষ সূত্র জানা যায়, ছাত্রদলকে সাংগঠনিকভাবে আরও সুসংগঠিত করা এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ের আন্দোলন জোরদার করার লক্ষ্যেই নতুন নেতৃত্ব বাছাই করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সার্বিক কর্মকাণ্ড মনিটর করছেন এবং বর্তমান কমিটির শীর্ষ ‘সুপার ফাইভ’ নেতাদের মাধ্যমে সক্রিয়দের তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল, মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ, এইচ এম আবু জাফর,

শাফি ইসলাম, খোরশেদ আলম সোহেল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান ও ফারুক হোসেন, প্রচার সম্পাদক

শরিফ প্রধান শুভ, ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন।

এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক, সালেহ মো. আদনান, মাসুম বিল্লাহ এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্সের নামও আলোচনায় রয়েছে।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা দিনের পর দিন জেল-জুলুম সহ্য করেছি, রাজপথে পুলিশের নির্যাতন সহ্য করেও পিছু হটিনি। দলকে সুসংগঠিত করতে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যেকোনো আত্মত্যাগ স্বীকার করতে আমরা প্রস্তুত ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল বলেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সব সময়ই ছাত্রসমাজ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনের অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছে। বিগত দিনে রাজপথের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামেই ছাত্রদল রাজপথ ছেড়ে যায়নি, শত বাধা ও নির্যাতন সত্ত্বে আমরা লড়াই চালিয়ে গেছি। আজ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও আধুনিক শিক্ষার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

সহসভাপতি এইচ এম আবু জাফর বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশের দর্শনকে সামনে রেখে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে নিয়ে ছাত্রদল আগামীতে নতুন ধারার শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতি উপহার দেবে।

ঢাকা-রংপুর লংমার্চে অংশগ্রহণের আহ্বান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের

সাত দফা আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে

ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করতে জামায়াতের গণসংযোগ

মালয়েশিয়াসহ শ্রমবাজারের সব সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

এই লংমার্চ সরকার পতনের আন্দোলন নয়, জনগণের সমস্যা সমাধানের আন্দোলন

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি ১১ দলের আহ্বান

সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ

ইসিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: গোলাম পরওয়ার

ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভাস্থল ভোগড়া বাইপাস পরিদর্শন

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করুন