ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বিবৃতি
দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এর শান্তিপূর্ণ একাডেমিক পরিবেশে সাম্প্রতিক উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগজনক। ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করার যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেবে শিক্ষার্থীরা।
রোববার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ডুয়েটের একাডেমিক পরিবেশ রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের মতামত উপেক্ষা করে শক্তি প্রয়োগ বা বহিরাগত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।
নেতৃদ্বয় বলেন, একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দমন-পীড়ন, ভয়ভীতি কিংবা বল প্রয়োগ কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা, একাডেমিক মর্যাদা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই চলমান পরিস্থিতির গ্রহণযোগ্য সমাধান সম্ভব।
নেতৃদ্বয় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ডুয়েটকে অস্থিতিশীল করতে কোনো মহল ষড়যন্ত্রমূলক বা সহিংস পথ অবলম্বন করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। শিক্ষার্থীদের অধিকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
ডুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন, দোষীদের বিচার নিশ্চিত না হলে ক্যাম্পাসে স্থায়ী শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
এএস