সরকারের সমালোচনা করলে তাদের সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। তাদের সফল করার লক্ষ্যে আমরা সমালোচনা করি। কিন্তু সমালোচনা করলে নেতাকর্মীদের অপমান করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা আয়োজিত 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনাদের মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সমালোচনা করা যেত না। বাক স্বাধীনতা ছিলো না। সমালোচনা করলেই জেল জুলুম করা হতো। তাদের শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। ফেসবুকে লিখলে পুলিশ বাড়িতে এসে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। হামলা-মামলা, গুম-খুন ছিলো মুক্তমত দমনের হাতিয়ার। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্যই ছিলো মানবাধিকার ফিরে পাওয়া। ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছে, শহীদ হয়েছে। তাছাড়া এই আন্দোলনে বিএনপির লক্ষ্যে ছিলো দেশের মানুষ যেন গণতন্ত্র ফিরে পায়। তাই আমাদের প্রায় ৫০০ নেতা কর্মী জীবন দিয়েছে।
সেলিমা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় স্থায়ীভাবে থাকার জন্য নির্বাচনের নামে ভোটাধিকার হরণ করেছে। ধানের শীষে ভোট দেয়ায় গৃহবধূকে রাতের অন্ধকারে ঘরে প্রবেশ করে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এগুলো ছিলো তাদের নিত্যরূপ।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ব্যক্তিত্ব ধরে রাখবেন। আমরা তাকে সম্মান করি। সারা বিশ্বে তার সম্মানের মাত্রা অনেক উঁচু। ছাত্র-জনতা বিশ্বাস করে তাকে দুঃসময়ে চেয়ারে বসিয়েছেন। আমরা চাইবো তিনি তার সঠিক প্রতিদান দিবেন।