হোম > রাজনীতি

আগামীকাল জাগপার প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী

আমার দেশ অনলাইন

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ, মজলুম জননেতা শফিউল আলম প্রধানের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ২১ মে (বৃহস্পতিবার)। ২০১৭ সালের এই দিনে ঢাকার আসাদগেটের নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম এই সাহসী জননেতার মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দেশের সব সাংগঠনিক জেলায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

শফিউল আলম প্রধান ১৯৪৯ সালের ১ জানুয়ারি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার টোকরাভাষা গ্রামের প্রধান পাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভি গমির উদ্দিন প্রধান ছিলেন অবিভক্ত পাকিস্তান মুসলিম লীগের সভাপতি ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার। সিদ্ধেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়, বোরহান উদ্দিন কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবন কাটে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের স্বতন্ত্র জিএস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।

১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের এই অগ্রনায়ক ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন পরাধীন বাংলায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন শফিউল আলম প্রধান। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৪ সালের ৩০ মার্চ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজ দল আওয়ামী লীগের ৬৪ জন দুর্নীতিবাজের তালিকা (শ্বেতপত্র) প্রকাশ করে তিনি এক ঐতিহাসিক ও সাহসী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এর মাত্র ৫ দিনের মাথায় ৪ এপ্রিল ১৯৭৪ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রহস্যজনক ৭ খুন সংঘটিত হয়। বাকশালি কায়দায়, তৎকালীন সরকার শফিউল আলম প্রধানকে প্রথমে রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম এবং পরে এই ৭ খুনের মামলায় প্রধান আসামি করে।

১৯৭৫ সালে তড়িঘড়ি করে প্রহসনের বিচারে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে, বাকশাল পতনের পর মামলার পুনঃতদন্তে আদালতের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে ৪ বছর পর ১৯৭৮ সালে তিনি মুক্তিলাভ করেন।

১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল ঢাকার রমনা গ্রিন চত্বরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) প্রতিষ্ঠা করেন শফিউল আলম প্রধান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপোশহীন লড়াই করে গেছেন। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপোশহীন ভূমিকার কারণে ‘কারাগার’ ছিল শফিউল আলম প্রধান-এর দ্বিতীয় বাড়ি। স্বাধীন বাংলাদেশের সব সরকারের আমলেই, তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সর্বমোট ২৭ বার গ্রেপ্তার হতে হয়েছে এবং দীর্ঘ কারাজীবন ভোগ করতে হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনর্বহালের দাবি ছাত্রশিবিরের

শিশু রামিসা হত্যার ঘটনা ভয়ংকর বিভীষিকাময়: ইসলামী আন্দোলন

হজ পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন জামায়াত আমির

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে: সেলিম উদ্দিন

জাতীয় ক্রিকেট দলকে বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

শিশু রামিসার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি শিবিরের

নৃশংস হত্যা-সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করবে জামায়াত

‘প্রিয় সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত’

স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা

শাহ আলীর ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করান