পবিত্র ঈদুল আজহায় গরুর হাটে চাঁদাবাজি বন্ধ ও ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতারা।
তারা বলেন, কোরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অবৈধ ফি আদায় বন্ধ না হলে সাধারণ বিক্রেতা ও ক্রেতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং বাজার ব্যবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
রোববার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় নেতারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতারা আরও বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। গত ঈদুল ফিতরে দেশের বিভিন্নস্থানে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল, চালকদের বেপরোয়া মনোভাব এবং প্রশাসনের নির্বিকারতা অনেকাংশে দায়ী।
সভায় বলা হয়, গরুর হাট, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও পরিবহন খাতে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; কোরবানির পশুর হাটে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে যানজট নিরসন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে; এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার সময়ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করার আহ্বান জানান তারা।
দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুফতি শরাফত হোসাইন ও মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ ও মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী প্রমুখ।