বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৯৬৯ সালে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। সোমবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যে গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য আসাদ জীবন উৎসর্গ করে গেছেন, সেটির পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। সে লক্ষ্যে গণতন্ত্র ও জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। শহীদ আসাদ দিবসে এই হোক আমাদের দৃপ্ত শপথ।’
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘‘শহীদ আসাদ দিবসে ’৬৯-এর গণআন্দোলনের মহান শহীদ আসাদুজ্জামানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে তার বিদেহ আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’
৯০’র ডাকসু ও শহীদ আসাদ পরিষদের কর্মসূচি
এদিকে ৯০’র ডাকসু ও শহীদ আসাদ পরিষদের উদ্যোগে শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে শহীদ আসাদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে। অনুষ্ঠানে ৯০’র ডাকসু ও শহীদ আসাদ পরিষদের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
সোমবার ৯০’র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে ছাত্র-জনতার ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শহীদ হন এবং অনেকে আহত হন। শহীদ আসাদের এই আত্মত্যাগ আন্দোলনকে বেগবান করে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে আসে এবং এই আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়, যা পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পতন ঘটে আইয়ুব খানের।