হোম > রাজনীতি > বিএনপি

ঘরের মানুষকেই ঘরের মানুষ চেনে: তারেক রহমান

স্টাফ রিপোর্টার

এলাকার সমস্যা সমাধানে বাইরের কেউ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। ঘরের মানুষকেই ঘরের মানুষ চেনে। এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট বোঝে—এমন মানুষ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার রাজধানীর পীর জঙ্গি মাজার রোডে ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের নির্বাচন। যার জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং জীবনের ভিত্তি এই এলাকার মানুষের সঙ্গে জড়িত, তাকেই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ইনশাআল্লাহ ধানের শীষের সরকার গঠিত হলে সেটি হবে জনগণের সরকার। বর্তমানে যেসব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তাদের মধ্যে একমাত্র বিএনপিরই দেশ পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি জানান, বিএনপি শুধু অতীত অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করছে না, বরং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হয়েছে। দেশ ভালো থাকলে বিএনপিও ভালো থাকবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা রাজনীতি করি।

আগামী বিএনপি সরকার নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এর মাধ্যমে প্রতি মাসে গৃহিণী ও খেটে খাওয়া নারীদের সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি সারা দেশের একটি বড় সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় বিএনপি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে মিল-কারখানা স্থাপন এবং প্রতিটি জেলায় ভোকেশনাল, টেকনোলজিক্যাল ও আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সারা দেশে এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এসব স্বাস্থ্যকর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে মা, শিশু ও নারীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেবেন।

তিনি আরও জানান, খেলাধুলায় প্রতিভাবান তরুণদের পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের সুনাম বয়ে আনতে পারে।

ধর্মীয় নেতাদের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, মসজিদ-মাদ্রাসার ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মের ধর্মগুরুরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁদের জন্য সম্মানজনক ভাতা চালু করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস হবে না। যে দুর্নীতি করবে, সে অপরাধী—সে কোনো দলের হতে পারে না। আইনের চোখে সবাই সমান।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, এলাকার সন্তান ও পরীক্ষিত নেতা মির্জা আব্বাসের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।

তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১২ তারিখে আপনারা তাঁকে বিজয়ী করবেন, আর ১৩ তারিখ থেকে তিনি আজীবন আপনাদের পাশে থাকবেন।

শেষে তারেক রহমান বলেন, ধানের শীষ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতীক। আসুন, ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশ পুনর্গঠনের যাত্রা শুরু করি।

কয়েকশ প্রার্থীর চাপে হিমশিম বিএনপি

ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী

নয়াপল্টন কার্যালয়ে তারেক রহমানের সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন তারেক রহমান

শেখ মুজিব না পারলেও হাসিনা বাকশালের সেই রূপ কায়েম করেছিলেন

৭১ কখনও অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫৫ বছর পর স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: মির্জা ফখরুল

তানিয়া আক্তার ও জপেল চাকমাকে শুভেচ্ছা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে