হোম > রাজনীতি > বিএনপি

হারুন-আল-রশিদের মৃত্যুতে বিএনপি একজন অভিভাবক হারিয়েছে: রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদের মৃত্যুতে বিএনপি একজন অভিভাবকতুল্য নেতাকে হারিয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হারুন-আল রশিদের দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, হারুন-আল-রশিদ ছিলেন জাতীয় পর্যায়ে সুপরিচিত ও প্রজ্ঞাবান একজন রাজনীতিবিদ। তিনি সংসদের হুইপ, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এবং প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন। একজন আইনজীবী হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রশংসিত।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আজ একজন অভিভাবককে হারালো।বর্তমান রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে তার মতো অভিজ্ঞ ও নীতিবান নেতার বেঁচে থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। রাজনীতিতে ন্যায্যতা ও আপসহীনতার যে আদর্শ তিনি ধারণ করেছিলেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তা অটুট রেখেছেন।

রিজভী বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই হারুন-আল-রশিদ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি বলেন, কীভাবে নীতির প্রশ্নে আপসহীন থেকে দীর্ঘদিন রাজনীতি করা যায়, হারুন-আল-রশিদ তার জীবনের মাধ্যমে সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তিনি শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নেতা ছিলেন না, জাতীয় পর্যায়েও অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

রিজভী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। জানাজায় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলা

অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপির একজন প্রবীণ নেতা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে থেকে জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ, ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাগত জীবনে একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি নেতাকর্মীদের কাছে একজন অভিভাবকতুল্য নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের ইন্তেকাল

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

এই ইউএনও-ডিসিরা আওয়ামী লীগের, তাদের থেকে লীগের গন্ধ যায়নি

প্রয়াত বিএনপি নেতা নোমানের নামে মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণ

সস্তা রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরুন

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

মুশফিকুল ফজল আনসারীকে দেখতে সিএমএইচে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সাংবাদিকরা সবসময় পাশে ছিলেন

আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায়নি

গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান