হোম > রাজনীতি > ইসলামী আন্দোলন

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গণ নিশ্চিতে সন্ত্রাসীদের না বলুন: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেছেন, বিশ্বের নানাপ্রান্তে আধিপত্য বিস্তারের লক্ষে যুদ্ধ চলছে আর বাংলাদেশে চলছে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের যুদ্ধ। ফ্যাসিবাদী মানসিকতা ও পেশিশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের নোংরা প্রতিযোগিতায় শিক্ষাঙ্গণের পরিবেশ কলুষিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, যে রাজপথে ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আজ সেই শক্তিকেই ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে আবারও দখল ও ভীতির রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। নিরাপদ শিক্ষাঙ্গণ নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসীদের না বলার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার বাদ জুমা রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি জাতির বিবেক গঠনের কারখানা। এখান থেকেই গড়ে ওঠে আগামী দিনের নেতৃত্ব, মূল্যবোধ ও মানবিকতা। অথচ দুঃখজনকভাবে আজ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গণে জ্ঞানচর্চার পরিবেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তুলছে অস্ত্রের ঝনঝনানি, ভয়ভীতি ও সহিংসতার সংস্কৃতি। ছাত্র রাজনীতির মোড়কে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা ক্যাম্পাসকে শিক্ষার কেন্দ্র থেকে সন্ত্রাসের ঘাঁটিতে রূপান্তরের অপচেষ্টায় লিপ্ত।

শিক্ষাঙ্গণকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও জ্ঞানচর্চার উপযোগী পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সবসময় আপসহীন অবস্থানে থাকবে এবং প্রয়োজনে রাজপথে থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে।

সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা থেকে নেতারা অবিলম্বে শিক্ষাঙ্গণ থেকে সন্ত্রাসের শেকড় উপড়ে ফেলার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সচেতন শিক্ষার্থীদের প্রতি নিরাপদ শিক্ষাঙ্গণ নিশ্চিতে সন্ত্রাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে না বলতে আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তারা সকল ছাত্রসংগঠনকে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ, সহনশীল, সহাবস্থান পূর্ণ, কল্যাণমুখী ছাত্র রাজনীতি চর্চা ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী রোববার দেশব্যাপী সকল ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন নেতারা।

ছাত্র আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসাইন নূর, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক আহমাদ শাফী, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিতর্ক সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ মাহমুদ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মনজু, প্রকাশনা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহদী ইমাম, পরিকল্পনা ও পাঠাগার সম্পাদক আরিফুল ইসলাম খান লিখন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক ইব্রাহীম নাসরুল্লাহ, কওমি মাদরাসা সম্পাদক সাঈদ আবরার, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাঈনুদ্দীন খান সিফাতসহ কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর ও ঢাকার ক্যাম্পাস নেতারা।

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে পল্টন মোড়, সচিবালয় হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত সন্ত্রাসবিরোধী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

জুলাই পরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের মহড়ায় আমরা শঙ্কিত

পিআর দাবি সরকারকে মেনে নিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

‘তেল ও এলপিজির উচ্চমূল্য বৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’

জনদুর্ভোগ লাঘবে আন্তরিকভাবে কাজ করুন: সরকারকে ইসলামী আন্দোলন

গণভোট বাস্তবায়নে দেশব্যাপী গণ‌আন্দোলন গড়ে তোলা হবে

সংস্কার বিষয়ে বিএনপির অবস্থানে জাতি আশাহত: ইসলামী আন্দোলন

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: ইসলামী আন্দোলন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিএনপি

জনপ্রত্যাশা মাফিক সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিন

বাস দুর্ঘটনায় কারো অবহেলা ছিল কিনা খতিয়ে দেখতে হবে: চরমোনাই পীর