হোম > রাজনীতি > জামায়াত

নাহিদসহ জামায়াত জোটে মন্ত্রিত্বের আশ্বাস পেলেন যারা

আমার দেশ অনলাইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে এখন পর্যন্ত চার নেতাকে মন্ত্রী করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিভিন্ন নির্বাচনি জনসভায় পর্যায়ক্রমে এসব ঘোষণার মাধ্যমে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার একটি আংশিক চিত্র সামনে এনেছে দলটি।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাড্ডায় ১১-দলীয় ঐক্যের নির্বাচনি জনসভায় ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় এলে নাহিদ ইসলামকে সরকারে একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখা যাবে। পাশাপাশি তিনি যুব নেতৃত্বের ওপর আস্থার কথা তুলে ধরেন।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের এক নির্বাচনি জনসমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির ও ওই আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্য করার ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান।

পরবর্তীতে ২ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তিনি জানান, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচিত হলে তাকেও সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে। তিনি হামিদুর রহমান আযাদকে ওই অঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ ছাড়াও ২৪ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আয়োজিত এক জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য সরকার যদি গঠিত হয়, আর আপনারা এই আসনের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানকে নির্বাচিত করেন, তাহলে একজন মন্ত্রী পাবেন।

নবম-দশম ওয়েজ বোর্ড একসঙ্গে বাস্তবায়ন হবে

সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশকে এলএনজি দিতে পারবে না কাতার

লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের বিদায়, মোতায়েন হচ্ছে ইউরোপীয় বাহিনী

বিপর্যস্ত নেপালে পর্যটকদের ফিরে আসার আহ্বান অভিনেত্রী মনীষার

চট্টগ্রামে ১৪ কেজি ওজনের অজগর উদ্ধার

জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

মেয়াদ শেষে ৭৫ শতাংশ সংস্কার বাকি, সিলেট-ছাতক ট্রেন চলাচলে অনিশ্চয়তা

চীনের বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্প্রসারণের সেতু আফগান সীমান্তের ওয়াখান করিডর

দেওয়ানগঞ্জে ৫ মেট্রিকটন অবৈধ সার জব্দ

মক্কা প্যাক্টের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করা হবে