হোম > রাজনীতি > জামায়াত

বাউফলে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকা পেল অসহায় দুস্থরা

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: আমার দেশ

পটুয়াখালীর বাউফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ত্রাণ তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাউফল উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেড়শ জনকে উপহার প্রদানের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সভাপতিত্ব করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে ভাগাভাগি করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে অনুদান দিয়েছেন, তা কিন্তু সারা বাংলাদেশের এমপিদের দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের এমন অনেক এমপি আছেন যারা জনগণের মধ্যে টাকা বিলিয়ে দিচ্ছেন না। এই বাউফলে বিগত দিনেও এমন অনুদান এসেছে, যা আপনারা জানতেন না।

তিনি আরো বলেন, ‘এবার আপনারা সততা ও যোগ্যতাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, সে জন্যই অনুদান আপনারা পাচ্ছেন। অন্য দলের হলে শুধু দলের কর্মীদের মাধ্যমেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু আজ আমাদের এখানে যারা আসছেন, সবাই হয়তো আমাদের দলের লোকও না। অনেকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেননি। আমরা তাদেরও এখানে এনেছি। কারণ আমার সঙ্গে যে জুলুম করেছে, তার সঙ্গেও আমি ইনসাফ করতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘সম্মানিত বাউফলবাসীর পক্ষ থেকে আমরা যা পাই তা তো দিই, বরং আমাদের পকেট থেকে আরো দিতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক এমপি আছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যা আসে তা খাওয়ার পরে আরো কীভাবে খাওয়া যায়, সেই চিন্তা করেন। সুতরাং যার কারণে আমাদের এমপিদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, আর মন্ত্রীদের বেলায় তো কোনো কথাই নেই।’

এমপি বলেন, ‘অতীতে আমরা দেখেছি বাউফলে যারা এমপি ছিলেন, তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন, কিন্তু দুনিয়ায় যারা অসহায়-দুস্থ, তাদের কাছে তারা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি। কেউ তাদের কাছে পৌঁছালেও তাদের অপমান, লাঞ্ছিত ও অপদস্ত করা হয়েছে। আজকে যারা এখানে উপহার নিতে এসেছেন, আমাদের ভালো লাগত যদি আপনাদের বাসায় গিয়ে আমরা পৌঁছে দিয়ে আসতে পারতাম। এখানে যারা আসছেন, তারা কিন্তু সবাই জামাত করেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো দলের, কোনো বর্ণের, কোনো ধর্মের বিবেচনা করি না। আমরা বিবেচনা করি দুস্থ, গরিব ও অসহায় ক্যাটাগরিতে পড়েছে কি না। আর এটাই আমাদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতি ওয়ার্ডে এই ১০ লাখ টাকা চলে যাক। এতে না হলে আমরা এর সঙ্গে আরো যুক্ত করব। ১০ লাখ টাকার চাহিদা রয়েছে ৫০ হাজার লোকের। এখন কেউ কি ৫০ হাজার লোকের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দিতে পারবেন? অনেকে বলবে শফিকুল ইসলাম মাসুদ ইনসাফের কথা বলে, কিন্তু আমি তো টাকা পেলাম না। যে কোনো একটা জিনিস সবাই একসাথে কখনোই পায় না। কিন্তু আমার আজ আপনাদের কাছে প্রশ্ন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আপনাদের হাতে এভাবে কেউ কি টাকা পৌঁছে দিয়েছে? মেয়নি। এটা আমরা শুরু করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ভদ্রতা পছন্দ করি, আমরা নম্রতা পছন্দ করি। কিন্তু কেউ যদি এটাকে আমাদের দুর্বলতা ভেবে আমাদের ঘাড়ে উঠে লাফালাফি করে, তাহলে আমরা ঘাড় থেকে নিচেও ফেলতে পারি। এটা যে আমরা পারি, তা দেখিয়েছিলাম। ভোটের মাধ্যমে আমাদের পরাজিত করা সম্ভব নয় এটা জানতে পেরে কেউ কেউ গায়ের জোরে জিততে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা থানা ঘেরাও করে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের বলেছিলাম, আমাদের বাউফলে এবার আর কোনো ভয়কে আমরা মাথায় উঠতে দেব না।’

উপস্থিত ছিলেন—বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান নজরুল, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম, নাজিরপুরের তরুণ সমাজসেবক সিদ্দিকুল্লাহসহ অন্যরা।

জনবান্ধব বাজেট তৈরি করতে হবে: নূরুল ইসলাম বুলবুল

বিএনপি ক্ষমতা দেখিয়ে আ.লীগের পথ অনুসরণ করছে: এটিএম আজহারুল

জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: জামায়াত এমপি মারদিয়া

রাজধানীতে শিশুদের জন্য জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

আহত সাংবাদিক রাশিদুল হাসানের আরোগ্য কামনা জামায়াতের

কালিহাতীতে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, জামায়াতের শোক

ইসলামী ব্যাংকে সরকারের ‘অযাচিত হস্তক্ষেপে’ জামায়াতের নিন্দা

ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কোরবানির শিক্ষা অনুপ্রেরণা জোগায়

রামিসা হত্যা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলছে বহুবিধ ষড়যন্ত্র: গোলাম পরওয়ার