হাতিয়ায় ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করে নারীর ওপর সংঘটিত ন্যক্কারজনক ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘জানা যায়, শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ার কারণে তাকে লক্ষ্য করে এই জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ভিক্টিম বর্তমানে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগটি নিশ্চিত করেছেন। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।’
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, এই ন্যক্কারজনক ঘটনা স্বৈরাচারের প্রতিধ্বনি। আমরা দূঢ়ভাবে বলতে চাই, ভোটাধিকার একটি সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের কারণে কোনো নারীকে এভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হবে, এটি একটি সভ্য রাষ্ট্রে অকল্পনীয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে নারীর সম্ভ্রমহানি কেবল একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।
তিনি জামায়াতের মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—
১. ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। ২. জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে। ৩. ভিক্টিমের চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের সচেতন নাগরিক, মানবাধিকার সংগঠন, নারী অধিকার সংগঠন এবং সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাই— এই বর্বরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুলুন। নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় আপসের কোনো সুযোগ নেই।’