হোম > রাজনীতি > জামায়াত

ঢাকা পলিটেকনিকে শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদ

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, নির্বাচনের পরে তোরা এখনো হলে থাকিস’—এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উসকানিমূলক মন্তব্য করে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় ছাত্রদল রাতের অন্ধকারে ছাত্রাবাসে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও রামদা নিয়ে চালানো এই হামলায় একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। মূলত ক্যাম্পাসগুলোতে পুনরায় দখলদারিত্ব ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতেই তারা এই রক্তক্ষয়ী পথ বেছে নিয়েছে।

শিবির নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা যখন একটি সুস্থ ও মেধাভিত্তিক রাজনীতির প্রত্যাশা করছে, তখন ছাত্রদল তাদের পুরোনো নেতিবাচক ও দখলদারির চরিত্রে ফিরে এসেছে। নির্বাচনের পর তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের পর থেকেই সারা দেশে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ধর্ষণ, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, হাটবাজার দখল, চাঁদাবাজি, মব-সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়েছে তারা। একদিকে সারা দেশে চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ ও অব্যাহত জননিপীড়নে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ ও বিপর্যস্ত; অন্যদিকে শিক্ষাঙ্গনগুলোতে পুনরায় ছাত্রলীগীয় কায়দায় বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে সশস্ত্র হামলা ও হল দখলের নোংরা মহড়া চালানো হচ্ছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন বরাবরের মতোই নিস্পৃহ ও আজ্ঞাবহ দাসের ভূমিকা পালন করছে।

তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ভয় দেখিয়ে বা অস্ত্রের ভাষায় কথা বলে ছাত্রশিবিরকে শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন করা অসম্ভব। ছাত্রশিবির সব সময়ই ইতিবাচক ও ছাত্রবান্ধব রাজনীতির চর্চা করে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে অগ্রসৈনিক হিসেবে কাজ করে যাবে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা হল দখলের খায়েশ মেটাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন বলি হতে দেওয়া হবে না। আদর্শিক লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে যারা অস্ত্রের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করতে চায়, তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। শিক্ষার্থীদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমাদের মূল শক্তি, যা কোনো পেশিশক্তির কাছে কখনোই মাথা নত করবে না।’

শিবিরনেতারা বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। প্রশাসনকে সতর্ক করে বলতে চাই, আপনারা যদি অপরাধীদের রক্ষা করার পুরোনো চাটুকারিতা পরিহার না করেন, তাহলে উদ্ভূত পরিস্থিতির সব দায়ভার আপনাদেরই নিতে হবে। তারা শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সরকারের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হলেন ব্যারিস্টার আরমান

জুলাই সনদের বিষয়টি জাতির সামনে স্পষ্ট হওয়া উচিত: জুবায়ের

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত

রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

আমরা মানবদরদী সমাজ গড়তে চাই: জামায়াত আমির

খামেনির শাহাদাতে জামায়াতের মহিলা বিভাগের শোক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনায় জামায়াত আমিরের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

পাবনা ও গাইবান্ধায় ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিক্ষোভ