পটুয়াখালীতে সংঘঠিত ন্যাক্কারজনক ও হামলার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ, দুঃখ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।
রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন দায়িত্বশীল ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে অপহরণ এবং তার গর্ভবতী স্ত্রী—যিনি নিজেও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের মহিলা বিভাগীয় দায়িত্বশীল। উনার পেটে লাথি মারা মানবতা ও সভ্যতার ইতিহাসে এক জঘন্যতম কলঙ্ক।
একজন গর্ভবতী নারীর ওপর এই পাশবিক আক্রমণ প্রমাণ করে, সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা—ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধও হারিয়ে ফেলেছে। নারীর মর্যাদা, মাতৃত্বের সম্মান ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা—সবকিছুকে পদদলিত করে চালানো এই সহিংসতা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই-রাজনীতির নামে সন্ত্রাস, ভয়ভীতি ও নারীদের ওপর হামলা কখনোই গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হতে পারে না। বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত সকলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে অপহৃত জামায়াত নেতার দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদ মুক্তি, আহত দম্পতির যথাযথ চিকিৎসা এবং তাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি দেশবাসী, বিশেষ করে নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই নারকীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ গড়ে তুলুন। আজ যদি আমরা নীরব থাকি, আগামীতে কোনো মা-বোনই নিরাপদ থাকবে না। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে—আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।