হোম > ধর্ম ও ইসলাম

বিদায়ের সময় ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলার অর্থ কী

ধর্ম ডেস্ক

কোনো মজলিসে গেলে, কারো বাড়িতে গেলে বা কারো সাথে দেখা হলে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা সুন্নত। কাউকে বিদায় জানানোর সময় বা কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় আমাদের দেশে ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলার প্রচলন আছে। ‘আল্লাহ হাফেজ’ অর্থ ‘আল্লাহ হেফাজত করুন' বা 'আল্লাহই আপনার হেফাজতকারী হোন!’

আবু হোরায়রা (রা.) বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ মজলিসে পৌঁছবে তখন যেন সে সালাম করে। এরপর যদি তার সেখানে বসতে ইচ্ছে হয় তবে বসবে। পরে যখন উঠে দাঁড়াবে তখনও সে যেন সালাম দেয়।

প্রথম সালাম পরবর্তী সালামের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। (অর্থাৎ মজলিসে প্রবেশের সময় এবং বের হওয়ার সময় উভয় সময়ে সালাম দেওয়া সমান গুরুত্বপূর্ণ।) (সুনানে তিরমিজি: ২৭০৬)

সুতরাং কারো সাথে দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া সুন্নত, বিদায়ের সময়ও সালাম দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।

বিদায়ের সময় কল্যাণের দোয়া হিসেবে ‘আল্লাহ হাফেজ’, ‘খোদা হাফেজ’, ইত্যাদি বলাও জায়েজ ও উত্তম, কিন্তু নবীজি (সা.) থেকে বর্ণিত না হওয়ায় এটিকে সুন্নত বলা যায় না। বরং সুন্নত হলো সালাম দেওয়া যেমন নবীজি (সা.) করেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন।

তাই বিদায়ের সময় অবশ্যই সালাম দেওয়া উচিত। সালাম দেওয়ার পাশাপাশি ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলা যেতে পারে।

জিকিরে সজীব রোজাদার

সপ্তম তারাবি: হিজরত, নুসরত ও জিহাদ

ষষ্ঠ তারাবি: শয়তান উলঙ্গপনা ও বেহায়াপনার পথ দেখায়

তারাবিতে কোরআন তিলাওয়াত রবের সঙ্গে একান্ত আলাপন

পঞ্চম তারাবি: জীবন মরণ সবই আল্লাহর জন্য

মাহে রমজানে নবজীবনে আহ্বান

চতুর্থ তারাবি: আল্লাহর অবাধ্যতা আজাব ও অভিশাপ ডেকে আনে

রোজার গুরুত্বপূর্ণ আমল সাহরি ও ইফতার

মাদক নির্মূল করতে পারলে প্রশাসনকে পুরস্কৃত করা হবে: ধর্মমন্ত্রী

তারাবির নামাজ নিয়ে আজহারীর বিশেষ বার্তা