হোম > ইসলাম ও জীবন

রমজানে পাপমুক্ত জীবনের অনুশীলন

আলী হাসান তৈয়ব

ছবি: সংগৃহীত

রমজান পুণ্য অর্জনের মাস। আমরা প্রত্যেকেই রমজানে বছরের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ইবাদতে মনোনিবেশ করি। সাধ্যমতো সবাই চেষ্টা করি এ মাসে রোজা, তারাবি, কোরআন তেলাওয়াত, জাকাত-ফিতরা ও দান-সদকার মাধ্যমে পুণ্য অর্জন করতে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের যোগ্য হতে। তবে এসবের পাশাপাশি রোজার আচরণবিধি মেনে চলাও জরুরি। রোজায় সব ধরনের পাপ ও পাপাচার থেকে বিরত থাকা জরুরি। কারণ রোজা ফরজ করা হয়েছে মানুষকে তাকওয়াসম্পন্ন বানানোর জন্য। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনটি করা হয়েছিল পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়াসম্পন্ন হও।’ (সুরা বাকারাÑ১৫৩) আর তাকওয়ার মূল কথাই হলো, সর্বদা আল্লাহর ভয় অন্তরে জাগ্রত রাখা এবং তার কাছে জবাবদিহির ভয়ে সব ধরনের নাফরমানি-অবাধ্যতা থেকে নিবৃত্ত থাকা।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণীতেও রোজায় গুনাহ বর্জনে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজা রেখে অসত্য কথা ও অন্যায় কাজ বর্জন করল না, তার পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ (বোখারি) আরেক হাদিসে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ রোজা থাকলে সে যেন অশ্লীল ভাষায় কথা না বলে এবং চিৎকার করে বাক্যবিনিময় না করে। তথাপি কেউ যদি তার সঙ্গে বিবাদ-ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় কিংবা লড়াই করতে আসে, তাহলে (অনাগ্রহ দেখিয়ে) বলবে, আমি রোজাদার। (তাই আমি কিছুতেই তোমার সঙ্গে বিবাদে জড়াব না)।’ (প্রাগুক্ত) কোনো কোনো সময় আমরা নিজের থেকে হয়তো মন্দ কথা বলি না, কিন্তু পরিস্থিতির শিকার হলে আর সংযত থাকা যায় না। হাদিসে এমন পরিস্থিতির করণীয়ই বলে দেওয়া হয়েছে।

তাই রোজায় যেমন ব্যক্তিজীবনের প্রতিটি ফরজ কাজ ঠিকমতো আদায় করতে হবে। তেমনি সমাজ জীবনে কেউ যেন আমার কথা-কাজে কষ্ট না পায়, সেদিকটিও খেয়াল রাখতে হবে। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘সে প্রকৃত মুসলিম যার হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে অন্যরা নিরাপদ থাকে।’ (মুসলিম)

গিবত-পরনিন্দা, হিংসা-পরশ্রীকাতরতা, মিথ্যা, অহংকার, দুর্নীতি, সুদ, ঘুস ও অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ, ইত্যকার সব অন্যায়-অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে। রমজানে আমাদের সারা বছরের জন্য এমন পাপাচার-অনাচারমুক্ত জীবনেরই অনুশীলন করা হয়।

সৌদি আরব গেছেন সিরাত অলিম্পিয়াডের ওমরাহ বিজয়ী নাজিফা খান

আবেগের পরিণতি অশুভ না হোক

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুমিনের পরিচয়

একনজরে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর (রা.)

সুরা কাহফ: ঢাল ও আলোকবর্তিকা

বিশ্ব ইজতেমার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা

১১০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ইউরোপে তৃতীয় বাংলাদেশি হাফেজ সাদ

জ্যোতির্বিজ্ঞান শাস্ত্রে মুসলিম মনীষীদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ

একনজরে ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.)

ইসলামে কথার সংযম