দুর্বল প্রতিপক্ষ পেয়ে যেন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠল আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা। ওমানের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে এবারের আসরের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে আইরিশরা। দুই ব্যাটার লরকান টাকার ও গ্যারেথ ডিলেনি পান ফিফটির দেখা। তাতে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৩৫ রান। জবাবে মাত্র ১৩৯ রানে গুটিয়ে ম্যাচ হারে ওমান।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে আয়ারল্যান্ড। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে টেনে তোলেন চারে নামা অধিনায়ক লরকান টাকার। ৫১ বলে খেলেন ৯৪ রানের ইনিংস। মাঠের চারপাশে শট খেলা এই ডানহাতি ব্যাটার পান ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটির দেখা। তার ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৪ ছক্কা।
তার ঝড়ের মাঝেই উইকেটে এসে তান্ডব চালান আরেক আইরিশ ব্যাটার গ্যারেথ ডিলেনি। ৩০ বলে খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। এছাড়া শেষদিকে ৯ বলে ৩৫ রানের ক্যামিও আসে জর্জ ডকরেলের ব্যাটে। তাতে ২৩৫ রানে থামে আইরিশদের ইনিংস। ওমানের হয়ে শাকিল আহমেদ ৩৩ রানে নেন ৩ উইকেট।
২৩৬ রানের পাহাড়সম স্কোর তাড়া করতে নেমে ৩ ওভারেই দুই উইকেট হারায় ওমান। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন ওপেনার আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জা। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা দুজনে যোগ করেন ৭৩ রান। আমির ২৯ বলে ৫০ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর ওমানের আর কোনো ব্যাটার ধরে রাখতে পারেননি রান তোলার স্রোত। তাতে মাত্র ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমানের ইনিংস। ম্যাচ হারে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে। আইরিশদের হয়ে পেসার জশ লিটল ১৬ রানে নেন ৩ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আয়ারল্যান্ড : ২৩৫/৫, ২০ ওভার (টাকার ৯৪*, ডেলানি ৫৬, শাকিল ৩/৩৩)।
ওমান : ১৩৯/১০, ১৮ ওভার (আমির ৫০, হাম্মাদ ৪৬, লিটল ৩/১৬)।
ফলাফল : ওমান ৯৬ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : লরকান টাকার।