রবিন রাউন্ড পর্বের শেষদিনে নোয়াখালী এক্সপ্রেস মাঠে নামে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। আগেই বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় এই ম্যাচটা পরিণত হয়েছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতায়। বিদায়ী ম্যাচেও নিশ্চিত করতে পারেনি জয়। ফলে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে নিশ্চিত হয় তাদের বিদায়। বিদাবেলায় দুই জয়ে তাদের নামের পাশে ছিল চার পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হার ৮ উইকেটে।
আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ রানে দুই উইকেট হারায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এরপরের পুরো গল্পটা শুধুই হাসান ঈসাখিলের। সিলেটে বাবার সামনে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পোড়া এই ব্যাটার মিরপুরে দেন পূর্ণতা। ৭২ বলে খেলেন ১০৭ রানের ইনিংস।
তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও ১১টি ছক্কা। এছাড়া হায়দার আলী ৩২ বলে খেলেন ৪২ রানের ইনিংস। তাতে নোয়াখালীর ইনিংস থামে ২ উইকেটে ১৭৩ রানে। রংপুর রাইডার্সের হয়ে নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম একটি করে উইকেট নেন।
১৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু পায় রংপুর রাইডার্স। ওপেনিংয়ে ৭৮ রান যোগ করেন তাওহিদ হৃদয় ও ডেভিড মালান। ইংলিশ ওপেনার মালান ১৭ বলে ১৫ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন তাওহিদ হৃদয়। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া তাওহিদ হৃদয়ের ইনিংস থামে ১০৯ রানে। তার ৬৩ বলের ইনিংসে ছিল ১৫ চার ও দুই ছক্কা।
এছাড়া অধিনায়ক লিটন দাস ৩৫ বলে খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। তাতে দুই বল হাতে রেখে নিশ্চিত করে জয়। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে হাসান মাহমুদ ও জাহির খান নেন একটি করে উইকেট। নোয়াখালীর বিপক্ষে ৮ উইকেটের এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে থেকে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ১৭৩/২, ২০ ওভার (হাসান ১০৭*, হায়দার ৪২*, আলিস ১/২২)
রংপুর রাইডার্স: ১৭৪/২, ১৯.৪ ওভার (হৃদয় ১০৯, লিটন ৩৯*, হাসান ১/২৩)
ফল: রংপুর রাইডার্স ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: তাওহিদ হৃদয়।