স্প্যানিশ সুপার কাপ
ম্যাচের পাঁচ মিনিটের মধ্যে গোল হজম করে আক্রমণাত্মক ফুটবলের ট্র্যাক থেকে সরে দাঁড়ায়নি বার্সেলোনা। কিলিয়ান এমবাপের গোল খেয়ে বরং আরও উজ্জীবিত হয়েছে কাতালানরা। দাপুটে পারফরম্যান্সে মেতে উঠে গোল উৎসব। বার্সার জার্সিতে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল, রবার্ট লেভানডভস্কি, রাফিনহা ও আলেজান্দ্রো বাল্দে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনহাে এনে দেন জোড়া গোল।
প্রত্যাবর্তনের দারুণ গল্প লিখে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বার্সেলোনা। সৌদি আরবের মাঠে ফাইনালে শুধু জয়ই পায়নি। স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপাও জিতেছে কাতালান জায়ান্টরা। নতুন বছরের শুরুতেই শিরোপার স্বাদ পেয়ে প্রচণ্ড খুশি বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক। মাঠের লড়াই শেষে সেই উচ্ছ্বাসের কথাই জানালেন এ জার্মান কোচ, ‘আমি সত্যিই আজ অনেক গর্বিত। দলকে নিয়ে গর্বিত, সব স্টাফ, এই ক্লাব, সমর্থক, সবাইকে নিয়ে। আজ অবিশ্বাস্য একটা ম্যাচ হলো। কোচদের জন্য অবশ্য অতটা (দুর্দান্ত) নয়। তবে সমর্থকদের জন্য সত্যিই চমৎকার।’
ফ্লিক বার্সার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন গত গ্রীষ্মে। তার কোচিংয়ে মৌসুমের শুরুটা দারুণ ছিল স্প্যানিশ জায়ান্টের। মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে লা লিগায় প্রথম ১২ ম্যাচের ১১টি জিতে পয়েন্ট টেবিলের সবার ওপরে জায়গা করে নিয়েছিল তারা। কিন্তু পরের সাত ম্যাচে তাদের জয় মাত্র একটি। চার হার আর দুই ড্রয়ে ক্লাবটি নেমে গেছে তালিকার তিনে।
দলের এই ব্যর্থতার জন্য ফ্লিকের কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতে টানা তিন ম্যাচ জয়ের সঙ্গে ট্রফি মাথার ওপর উঁচিয়ে ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিল বার্সা। কোচ ফ্লিক তারুণ্য নির্ভর দল নিয়ে একটু একটু এগোতে চান, ‘প্রতি ম্যাচ থেকেই আমাদের শিখতে হবে এবং আজকের ম্যাচ থেকেও। আমরা সবকিছু আরও ভালোভাবে করতে পারি, তবে আমাদের দলটা তরুণ। কয়েকটি সপ্তাহ গেছে যেখানে আমরা ভালো খেলতে পারিনি এবং লিগে আমাদের অবস্থা এখন ভালো নয়। ড্রেসিং রুমে আমরা সব বিষয় নিয়েই কথা বলি, তবে আপাতত আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ পরের ম্যাচে দৃষ্টি দেওয়া।’