বয়কট ইস্যুতে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আছে বাড়তি চাপ। দুদলের অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলনে সেটা স্পষ্ট। নানান প্রশ্ন ঘুরে ফিরে এসেছে দুই অধিনায়কের ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানান, সবকিছুর ঊর্ধ্বে ম্যাচটা হওয়া। বয়কট ইস্যু সরিয়ে আজ কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গড়াবে এই ম্যাচ।
গতকাল ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। সেখানে উঠে আসে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট প্রসঙ্গ। পাকিস্তানের সিদ্ধান্তে বদল না আসলে কী হতো সেটা নিয়ে কথা বলেননি তিনি। উল্টো সূর্যকুমার জানান, তারা প্রস্তুত ছিলেন এই ম্যাচের জন্য।
সূর্যকুমার বলেন, ‘আমরা সব ম্যাচের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে হতো। আমাদের ফ্লাইট বুক করা ছিল। আমরা গ্রুপপর্বের চার ম্যাচের জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। শুধু প্রস্তুতির দিকে তাকিয়ে ছিলাম, কারণ এটা আমাদের নিতেই হতো।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমার দৃষ্টিতে যেকোনো ম্যাচই চাপের। যখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয় তখন আরো চাপ থাকে। এটা উৎসবের মতো। এটা সত্য এই ম্যাচ বড় প্ল্যাটফর্ম। তারপরও আমরা এটাকে অন্য ম্যাচের মতো করেই খেলতে চাই।’
দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতায় বৈশ্বিক কিংবা মহাদেশীয় ইভেন্ট ছাড়া হয় না দুদলের লড়াই। ফলে এই ম্যাচের আগে অন্য ম্যাচের মতোই প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান ভারতীয় অধিনায়ক।
তার কথায়, ‘আমরা নিয়মিত তাদের বিপক্ষে খেলি না। আমরা সবকিছু স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। যতটুকু সম্ভব কঠোর পরিশ্রম করার চেষ্টা আছে আমাদের। পরিকল্পনা পুরোপুরি মাঠে প্রয়োগ করতে চাই।’
এই ম্যাচের আগে ঘুরে ফিরে এসেছে এশিয়া কাপে দুই দলের হাত না মেলানোর ঘটনা। ক্রিকেটীয় চেতনা বজায় রাখার অঙ্গীকার ছিল সূর্যকুমারের কণ্ঠে। তবে টসের সময় কিংবা ম্যাচ শেষে হাত মেলাবেন কি না সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি তার কথায়।
‘২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। কালকে (আজ) দেখা যাবে। কোনটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? ম্যাচ হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। হাত মেলানো হলো কি না সেটা ২৪ ঘণ্টা পর দেখা যাবে।’- যোগ করেন সূর্যকুমার।