হোম > খেলা > ক্রিকেট

ব্যাটিং ধসের পর শেষ জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩১

স্পোর্টস রিপোর্টার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে এক সময় বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। ওপেনারদের ইতিবাচক শুরুতে সেই ইঙ্গিতও মিলেছিল। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং ধসে পড়ে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের শেষ উইকেট জুটির লড়াইয়ে ১৩১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হওয়া তাওহিদ হৃদয়। চোটের কারণে লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। একাদশে জায়গা পান অভিষেক হওয়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলায়েন, আর উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন পারভেজ হোসেন ইমন।

শুরুতে অবশ্য বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে বড় কিছুর আভাসই মিলেছিল। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। তবে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ২৭ রানের মাথায় প্রথম ধাক্কা আসে। স্পেনসার জনসনের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তানজিদ।

তানজিদের বিদায়ের পরও আক্রমণাত্মক ছিলেন সাইফ। ১৪ বলে ২০ রান করে তিনি যখন ভালোই এগোচ্ছিলেন, তখন ম্যাট রেনশর বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর মাঠে নেমেই প্রথম বল ছক্কায় উড়িয়ে দেন নতুন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। কিন্তু সেই ঝলক বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

বাংলাদেশের ইনিংসের মোড় ঘুরে যায় মাঝের ওভারগুলোতে। হৃদয়, সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন—একের পর এক ব্যাটসম্যান দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। রান তোলার গতি মোটেও খারাপ ছিল না, কিন্তু নিয়মিত উইকেট হারানোর কারণে ইনিংস গড়ে তোলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।

অভিষেক ম্যাচে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন। একটি ছক্কাসহ ১০ রান করেন তিনি। তবে তিনিও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। এক পর্যায়ে ১৩ ওভারে ৮৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

এরপর রিশাদ হোসেন উইকেটে নেমেই দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে দলের রান একশ পার করান। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে তিনিও দ্রুত বিদায় নেন। ফলে একশ পার হওয়ার পরও বাংলাদেশের সংগ্রহ কতদূর যাবে, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

সেই কঠিন সময়ে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মেহেদী হাসান। নিচের সারির ব্যাটারদের নিয়ে তিনি ইনিংস টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে মোস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে মাত্র ১২ বলে ২৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মেহেদী। এই জুটিই মূলত বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো একটি সংগ্রহ এনে দেয়।

শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ১৯তম ওভারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন মোস্তাফিজুর রহমান। মাঠের আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও অস্ট্রেলিয়ার রিভিউ সফল হয়। তার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মেহেদী হাসান। এছাড়া সাইফ হাসান করেন ২০ রান। পারভেজ হোসেন ইমন ও আব্দুল গাফফার সাকলায়েন করেন ১০ রান করে।

ফলে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি জিততে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৩২ রান। এখন ম্যাচে ফেরার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশের বোলারদেরই দেখাতে হবে বিশেষ কিছু।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, সাকলাইনের অভিষেক, একাদশে নেই লিটন

আজ বাংলাদেশের মেয়েদের অস্ট্রেলিয়া পরীক্ষা

টি-টোয়েন্টি সিরিজেও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

হাসান মাহমুদ প্রথম ম্যাচেই পেলেন ৯ উইকেট

রোমাঞ্চের ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অস্ট্রেলিয়া

জুয়াইরিয়া ঝড়ে নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

ফিফটির আগে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লেন লিটন

টি-২০ বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল

২ কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছে ক্রিকেট দল

হোয়াইটওয়াশ মিশনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মিরাজ-নাহিদ