ঢাকা টেস্টে প্রথম দিনটা ভালো কাটলেও দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ব্যাটিং ধসের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করে মাত্র ৫৯ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা। তবে বাংলাদেশের এমন ব্যাটিং ধসের পেছনে ব্যাটারদের যতটুকু না দায় তার চেয়ে বেশি কৃতিত্ব উইন্ডিজ বোলারদের।
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের প্রথম ৩ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্পিনাররা। সেখান থেকেই মূলত একটা ওপেনিং পেয়ে যায় উইন্ডিজ। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের এই পিচ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে উঠবে, সেটা অনুমিত ছিল। প্রথম দিনের তুলনায় অনেক বেশি টার্ন দেখা যাচ্ছে এই পিচে। দ্বিতীয় দিন তাই শুরু থেকেই স্পিন বোলিং নিয়ে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাফল্যও পেয়েছেন সেভাবে। উইন্ডিজের দুই স্পিনার ওয়ারিক্যান এবং বিশপ, দুজনেই উইকেট থেকে অনেকটা সহায়তা পেয়েছেন।
শামার জোসেফ পরপর দুই ওভারে দুটো উইকেট নিয়ে ব্যাটিং ধসকে আরও ত্বরান্বিত করেন। সকালের ময়েশ্চার এবং নতুন বলের সুবিধা নিয়েছেন তিনি। আর ওয়ারিক্যান শেষদিকে চাপ দিয়ে বোলারদের উইকেট তুলে নেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বোলারদের অফস্ট্রাইকে যাওয়ারই সুযোগ দেননি তিনি। ফলে লিটনকে অন্য পাশে রেখেই বাংলাদেশকে অলআউট করে ফেলতে পারে সফরকারীরা।
বাংলাদেশকে দ্রুত গুড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে উইন্ডিজ বোলারদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং এবংকন্ডিশন বোঝার ক্ষমতাকে কৃতিত্ব দিতে হবে। কন্ডিশন বুঝতে পেরে দিনের প্রথম থেকেই স্পিনার এনেছে তারা। আবার নতুন বলে এক প্রান্ত থেকে পেস বোলিং আক্রমণও চালিয়েছে তারা। নিচের দিকের দুই-একজন ব্যাটার একটু ভুল করলেও বেশিরভাগ উইকেটই ভালো পরিকল্পনা এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরস্কারস্বরুপ পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।