সিনিয়র বনাম জুনিয়র! হ্যাঁ, ভুল পড়েননি, ধূমকেতু একাদশের হয়ে যারা খেলেছেন তারা সবাই সিনিয়র ক্রিকেটার আর দুরন্ত একাদশের সবাই জুনিয়র। ফলে লড়াইটা ছিল সিনিয়র-জুনিয়রের। এই লড়াইয়ে সিনিয়র অর্থাৎ ধূমকেতুর কাছে কোন পাত্তা পায়নি জুনিয়র অর্থাৎ দুরন্ত। সিনিয়রদের বিপক্ষে এই ম্যাচে জুনিয়র অর্থাৎ দুরন্ত হেরেছে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
আগে ব্যাট করতে নেমে রিশাদ হোসেনের বোলিং তোপে পড়ে দূরন্ত। বিগব্যাশে দারুণ ছন্দে থাকা রিশাদ দেশের মাঠে প্রথমবার খেলতে নেমেই ছিলেন দারুণ উজ্জ্বল। ২১ রানে তার শিকার ছিল ৩ উইকেট। ফেরান আজিজুল হাকিম তামিম, আরিফুল ইসলাম ও আকবর আলীকে।
তার বোলিং দাপটে যখন দুরন্ত, তখন ব্যতিক্রম ছিলেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন। ৩৬ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার। তার ব্যাটে ভর করে দুরন্তর ইনিংস থামে ১৪৩ রানে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান আসে অধিনায়ক আকবর আলীর ব্যাটে। ধূমকেতুর হয়ে রিশাদ হোসেন ২১ রানে নেন তিন উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব শিকার করেন দুইটি করে উইকেট।
১৪৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই দারুণ ছিলেন ধূমকেতুর ব্যাটাররা। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম তিন ওভারে তোলেন ৩৪ রান। তানজিদ তামিম ৮ বলে ১৭ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রান যোগ করেন সাইফ হাসান ও লিটন দাস। ৩০ বলে ৫০ রান করে ফেরেন সাইফ হাসান। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও তিন ছক্কা।
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা লিটন দাস ৪৩ বলে ৬৫ রান করেন লিটন। ১০ চারে এই ইনিংস সাজানো লিটন হন ম্যাচসেরা। দূরন্তর হয়ে ২৩ রানে তিন উইকেট নেন এস এম মেহেরব হাসান। এছাড়া রিপন মন্ডল ৩৯ রানে নেন ১ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দুরন্ত: ১৪৩/১০, ১৯.৫ ওভার (রবিন ৩৯, আকবর ১৮, রিশাদ ৩/২১)।
ধূমকেতু: ১৪৬/৪: ১৬.১ ওভার (লিটন ৬৫*, সাইফ ৫০, মেহেরব ৩/২৩)।
ফল: ধূমকেতু ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: লিটন দাস।