হোম > খেলা > ফুটবল বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপে ‘স্যাবোটেজের’ শিকার রোনালদো!

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপটা শেষ হয়েছে অনেক বিতর্কের মধ্য দিয়ে। পর্তুগালের বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি অভিযোগ, রোনালদো সতীর্থদের ‘স্যাবোটেজের’ শিকার হয়েছেন! এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন পর্তুগালের মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ।

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই পোস্টের নিচে রোনালদোর ভক্তদের তীব্র সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে শেষ পর্যন্ত মন্তব্য (রিপ্লাই) করার সুযোগই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা।

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ব্রুনো লিখেছিলেন, ‘আমি দুঃখিত, হতাশ এবং ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছি। এই দলটি শুধু তাদের সামর্থ্যের জন্য নয়, বরং আমরা একসঙ্গে যে অসাধারণ বন্ধন তৈরি করেছিলাম, সেটার কারণেও আমার প্রত্যাশা অনেক উঁচুতে উঠেছিল। বিশ্বকাপজুড়ে আমাদের সঙ্গে থাকা সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সহযোগীদের ধন্যবাদ। আর পর্তুগালের সব সমর্থককে সমর্থন ও বিশ্বাসের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

কিন্তু এই বার্তার পরও থামেনি সমালোচনা। একাধিক সমর্থক দাবি করেন, রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপে ব্রুনো ফার্নান্দেজসহ কয়েকজন মিডফিল্ডার ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে পর্যাপ্ত বল দেননি। তাদের অভিযোগ, দলের ভেতরেই ৪১ বছর বয়সী কিংবদন্তিকে আড়ালে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এই বিতর্কের সূত্রপাত অবশ্য আরও আগে। গ্রুপ পর্বে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে যে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস ও পেদ্রো নেতো নাকি রোনালদোকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেননি।

আগুনে ঘি ঢেলে দেন রোনালদোর বোন কাতিয়া আভেইরো। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানান, যেখানে ব্রুনো ফার্নান্দেজের পারফরম্যান্সের সমালোচনা করা হয়েছিল। সেই পোস্টে লেখা ছিল, ‘হঠাৎ করেই তারা যেন ভুলে গেছে কীভাবে বল পাস দিতে হয়, বল পুনরুদ্ধার করতে হয় কিংবা দ্রুত আক্রমণ গড়তে হয়। পুরো ম্যাচটাই হয়ে গেল মাঝমাঠে পেছনের দিকে পাস দেওয়ার প্রতিযোগিতা। অদ্ভুত এক বিশ্বকাপ, সত্যিই খুব অদ্ভুত।’

পর্তুগালের বিদায়ের পর ব্রুনোর পোস্টেও একই ধরনের অভিযোগের বন্যা বয়ে যায়। একজন লেখেন, ‘সে (ব্রুনো) জানে সবাই বুঝে গেছে যে নিজের আলোয় থাকতে রোনালদোকেই আড়াল করার চেষ্টা করেছে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘ব্রুনো ফার্নান্দেজ মন্তব্যের অপশন বন্ধ করে দিয়েছেন। এটিই প্রমাণ করে, বিশ্বকাপজুড়ে তাকে নিয়ে যা বলা হয়েছে, সবই সত্য।’ আরেক সমর্থক লেখেন, ‘মাঠে নয়, শুধু ইনস্টাগ্রাম আর এক্সে দেখা গেল ব্রুনোকে। পর্তুগাল বিদায় নিয়েছে, তারপরও মন্তব্য বন্ধ করে দিল!’

তবে সবাই এই অভিযোগ মানতে নারাজ। অনেকেই রোনালদোর বয়স ও দলের বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। একজন সমর্থক লিখেছেন, ‘রোনালদো মেসি নন। ম্যাচ দেখলে বোঝা যেত, সতীর্থরা তাকে বল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তিনি প্রায়ই শক্ত মার্কিংয়ের মধ্যে ছিলেন। ৪১ বছর বয়সে ছোট জায়গায় আগের মতো কার্যকর থাকা কঠিন। এটা সতীর্থদের দোষ নয়।’

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় পর্তুগাল। সেই ম্যাচই ছিল রোনালদোর ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। এরপর প্রধান কোচ রবার্তো মার্তিনেসও দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমি পর্তুগালে এসেছিলাম বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। সেটা পূরণ করতে পারিনি। তাই দায়িত্বে থাকার কোনো অর্থ দেখি না।’ মার্তিনেসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন রোনালদোর আল-নাসরের সাবেক কোচ জর্জ জেসুস।

ভোজিনহার নামে নতুন শামুকের নামকরণ

ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনাকে চান ইয়ামাল

বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরেই ‘না ফেরার দেশে’ দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলার

সোনালি প্রজন্মের বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গ

স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচে মেরিনো-ইয়ামালদের যত রেকর্ড

বিশ্বকাপে রেফারিদের প্রশংসায় লিসান্দ্রো মার্টিনেজ

সাইবার হামলার শিকার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন

ঘাস বেচে ফিফার আয় ১৩৫ কোটি টাকা!

ব্রাজিলের বিদায়, ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র

বেলজিয়ামকে হারিয়ে মেরিনোর চোখ বিশ্বকাপ ট্রফিতে