হোম > খেলা > ফুটবল বিশ্বকাপ

মেটলাইফে ভিনি-হাকিমিদের যত কীর্তি আর রেকর্ড

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশ্বকাপের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। মাঠের লড়াইয়ে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারাতে হয়েছে তাদের। তবে কাঙ্ক্ষিত জয় না পেলেও এই ম্যাচ থেকে ব্রাজিলের ঝুলিতে এসেছে দারুণ এক রেকর্ড। অন্যদিকে পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল মরক্কোর একের পর এক ইতিহাস গড়ার গল্প। ম্যাচের খুঁটিনাটি ও পরিসংখ্যানের বিস্তারিত থাকছে এই প্রতিবেদনে।
ম্যাচটি ড্র হলেও বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নিজেদের অপরাজেয় থাকার রেকর্ড আরো সমৃদ্ধ করেছে সেলেসাওরা।

২১
মরক্কোর সঙ্গে ড্র মিলিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের টানা ২১ উদ্বোধনী ম্যাচে অপরাজিত রইল ব্রাজিল (১৭ জয় ও ৪ ড্র)। সর্বশেষ ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছিল তারা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ম্যাচে এটিই দীর্ঘতম অপরাজিত থাকার রেকর্ড (দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টানা ৯টি জয় আছে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের)।

৫০
ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন জাতীয় দলের হয়ে ৫০তম ম্যাচ খেলা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলের জার্সিতে তার ১০তম আন্তর্জাতিক গোল পূর্ণ করেছেন। যার মধ্যে তিনটি গোল এলো যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিল অপরাজিত থাকলেও কেটে গেছে ভিনির ‘লাকি চার্ম’। ক্যারিয়ারে এই প্রথম ভিনি গোল করার পরও ম্যাচ জেতেনি ব্রাজিল।
ব্রাজিলের মতো পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে মরক্কো কেবল একটি পয়েন্টই পায়নি, বরং ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের নাম লিখিয়েছে নতুনভাবে। রেকর্ডের পাতায় জায়গা করে নিয়ে রূপকথার গল্পই লিখেছে মরক্কো।

১১
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক অনন্য নজির গড়েছে মরক্কো। দলটির শুরুর একাদশের ১১ খেলোয়াড়ের সবার জন্মই হয়েছিল বিদেশের মাটিতে। ফুটবল বিশ্বকাপে এমন ঘটনা এই প্রথম।


ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দলের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন করল মরক্কো। এর আগে ১৯৭০ সালে পেরু এবং ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল তারা।


ম্যাচ শুরুর প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিলের গোলমুখে পাঁচটি শট নেয় মরক্কো। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ১০ মিনিটে ব্রাজিলের বিপক্ষে এমন আক্রমণাত্মক কীর্তি দেখাতে পেরেছিল কেবল পর্তুগাল। মরক্কো হলো দ্বিতীয় দল।

১১
মরক্কোর হয়ে বিশ্বকাপে নিজের ১১তম ম্যাচটি খেলে ফেলেছেন আশরাফ হাকিমি। এর মাধ্যমে আফ্রিকান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডে তিনি ক্যামেরুনের ফ্রাঁসোয়া ওমাম-বিয়িক এবং ঘানার আসামোয়াহ জিয়ানের পাশে বসলেন।
ব্রাজিলের জন্য ম্যাচটি রেকর্ড ধরে রাখার হলেও মরক্কোর জন্য এটি ছিল বুক চিতিয়ে লড়াই করে অনেক কিছু পাওয়ার এবং বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য জানান দেওয়ার এক ঐতিহাসিক ম্যাচ।

কুরাসাওকে হারিয়ে ‘৭-১’ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি

ইংল্যান্ডের চুরি হওয়া কিট উদ্ধার

ব্রাজিলকে রুখে নকআউটের স্বপ্ন দেখছে মরক্কো

প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে সমালোচনায় ট্রুডো

বিশ্বকাপে না থেকেও পূর্ণ পারিশ্রমিক পাবেন সোমালি রেফারি

সুইডেনের সামনে ‘কার্থেজের ঈগল’

ডাচদের ধারাবাহিকতা, নাকি জাপানের ইতিহাস

বিশ্বমঞ্চে জার্মানি-কুরাসাওয়ের অসম লড়াই

তারুণ্যের শক্তিতে অস্ট্রেলিয়ার জয়

পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ লড়াইয়ে নামছেন জোতাও!