ব্রিসবেনে দারুণ এক প্রীতি ম্যাচ উপহার দিয়েছে ব্রাজিল। মাঠের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখাল অস্ট্রেলিয়া। ৬ গোলের রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ব্রাজিল। খেলার মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় ভ্যান্দারসনের নিখুঁত ও জোরাল শটে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। তবে দমে যায়নি স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াও। দুর্দান্ত পাল্টা আক্রমণে তারা ম্যাচে ফিরে আসে। কর্নার থেকে আলেসান্দ্রো চিরকাতির বুদ্ধিদীপ্ত ফ্লিকে সমতা টানে অস্ট্রেলিয়া। এরপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কনর মেটক্যালফের বক্সের বাইরের দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
তবে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ডি-বক্সে দানিলোর ওপর ফাউলের কারণে ভিএআর চেক করে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরলাইন ২-২ করেন রাফিনহা।
বিরতির পর বদলি হিসেবে নেমে ব্রাজিলকে গতি দেন এনদ্রিক। ম্যাচের উত্তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের গুছিয়ে নেয় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুসের চমৎকার কাটব্যাক থেকে ব্রুনো গিমারাইস গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজেই ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল এবং স্পট কিক থেকে গোল করে দলের ৪-২ গোলের জয় নিশ্চিত করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।
এই জয়ে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ১৯ ম্যাচে ১১তম জয় তুলে নিল ব্রাজিল। ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়াও দুর্দান্ত লড়াই করায় ব্রাজিল ভক্তদের মনে স্বস্তির সঙ্গে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।