উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে জমে উঠেছে লড়াই। গোলের বন্যায় প্যারিসে চেলসিকে ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে পিএসজি। অন্য ম্যাচে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে স্পোর্টিং সিপিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে নরওয়ের ক্লাব বোডো/গ্লিমট। আর লেভারকুসেনের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি গোলে ১-১ ড্রতে হার এড়িয়ে ফিরেছে আর্সেনাল।
ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে পিএসজি। ম্যাচের ১০ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি চেলসিকে। ২৮ মিনিটে মালো গুস্তোর জোরালো শটে সমতা ফেরে লন্ডনের দলটির।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই আবারও এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ৪০ মিনিটে উসমান দেম্বেলের নিচু শটে ২-১ ব্যবধানে লিড নেয় পিএসজি। বিরতির পর ৫৭ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে আবারও ম্যাচে ফিরে আসে চেলসি।
কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৭৪ মিনিটে গোলরক্ষক ফিলিপ ইয়োর্গেন্সেনের ভুলে। সতীর্থকে পাস দিতে গিয়ে বল তুলে দেন বারকোলার পায়ে। সেখান থেকে খিচা কাভারৎস্খেলিয়ার সহায়তায় ভিতিনিয়া গোল করে পিএসজিকে আবার এগিয়ে দেন। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি চেলসি।
৮৬ মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে এবং যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আরও একটি গোল করে নিজের জোড়া পূর্ণ করেন কাভারৎস্খেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লুইস এনরিকের দল। আগামী মঙ্গলবার স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে হবে ফিরতি লেগ।
অন্য ম্যাচে নিজেদের রূপকথার মতো যাত্রা অব্যাহত রেখেছে নরওয়ের ক্লাব বোডো/গ্লিমট। ঘরের মাঠে পর্তুগালের স্পোর্টিং সিপিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। চলতি আসরে ইতোমধ্যে ম্যানচেস্টার সিটি, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের মতো বড় দলকে হারিয়ে আলোচনায় এসেছে এই ক্লাবটি। ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে লিসবনে।
এদিকে জার্মানির মাঠে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে আর্সেনাল। বিরতির পরপরই কর্নার থেকে রবার্ট আনদ্রিসের হেডে এগিয়ে যায় বায়ার লেভারকুসেন। দীর্ঘ সময় পিছিয়ে থাকার পর শেষ দিকে পেনাল্টি পায় আর্সেনাল। ননি মাদুয়েকেকে ফাউল করলে স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ। শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র নিয়েই ম্যাচ শেষ করে মিকেল আর্তেতার দল। আগামী মঙ্গলবার লন্ডনে ফিরতি লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।