হোম > বিশ্ব > আফ্রিকা

সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২৩

আমার দেশ অনলাইন

সুদানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এল-ওবেইদ শহরে ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার একটি মানবাধিকার সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি অন্যতম মারাত্মক বিমান হামলা।

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ড্রোন হামলা রণকৌশলের একটি প্রধান অংশ হয়ে উঠেছে।

যুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধের নথিপত্র তৈরি করা সংগঠন ‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স’ জানিয়েছে, দক্ষিণ কর্দোফান অঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হামলা চলে। ড্রোনগুলো আবাসিক এলাকা, একটি জানাজার জমায়েত এবং খাদ্য সরবরাহকারী একটি ট্রাক লক্ষ্য করে আঘাত হানে।

সংগঠনটি এই হামলার জন্য আরএসএফকে দায়ী করে জানিয়েছে, হামলায় আরও অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং আরএসএফের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উত্তর কর্দোফানের রাজধানী এল-ওবেইদ শহরটি গত কয়েক মাস ধরে আধাসামরিক বাহিনীর আংশিক অবরোধের মধ্যে রয়েছে।

হামলার পর প্রত্যক্ষদর্শীরা ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনা দিয়ে জানান, বহু বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং মরদেহগুলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শহরের পূর্বাঞ্চলের আল-মাতার এলাকার এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘বাসিন্দাদের ওপরই ঘরের ছাদ ভেঙে পড়েছে। কিছু বাড়ির অবস্থা দেখে মনে হবে না যে সেখানে কেউ বেঁচে থাকতে পারে।’’

অন্য এক বাসিন্দা জানান, হামলায় তার চাচাতো ভাই নিহত হয়েছেন এবং তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে সাতটিরও বেশি মরদেহ নিয়ে আসতে দেখেছেন। অপর এক চিকিৎসা কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, নিহতদের মধ্যে দুটি শিশু এবং তাদের মা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে দেশজুড়ে ড্রোন হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

গত অক্টোবরে পশ্চিম দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ বড় ঘাঁটি এল-ফাশের আরএসএফের দখলে যাওয়ার পর থেকে কর্দোফান অঞ্চল এবং ইথিওপিয়া সীমান্তের কাছাকাছি ব্লু নাইল রাজ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। কর্দোফান অঞ্চলটি আরএসএফের ঘাঁটি দারফুরের সাথে পূর্ব সুদানের সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকার সংযোগস্থল হওয়ায় এটি দুই পক্ষের জন্যই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র।

সুদানের এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে ইতিমধ্যে দশ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১ কোটি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। জাতিসংঘ একে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুতি এবং ক্ষুধা সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে।

সূত্র: এএফপি

এসআর

মিশরে মরুভূমির বুকে ছুটছে বিশ্বের দীর্ঘতম চালকবিহীন মনোরেল

অ্যাঙ্গোলায় অবৈধ সোনার খনিতে ধস, নিহত ২৮

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন ৯ তলা ভবন ধস, নিখোঁজ ২১

সেই ‘এল ফাশেরের কসাইকে’ যুদ্ধক্ষেত্রে ফেরালো আরএসএফ

ইবোলা ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা জারি

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তস্রোত’ বইবে

বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা ঘোষণা

কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব : ৮০ জনেরও বেশি মৃত্যু

কঙ্গোয় মিলিশিয়া হামলায় নিহত ৬৯