আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলাতে একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১৩ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে বলা হয়েছে। খনির ভেতরে এখনও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ প্রশাসন। তাদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা জোরালো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজধানী লুয়ান্ডার থেকে উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বেঙ্গো প্রদেশে শনিবার খনিধসের এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে থাকা শ্রমিকদের অনেকেই মাটিচাপা পড়েন।
নিহতদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে। ধসে পড়া মাটির নিচে চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন থাকার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের মুখপাত্র গ্যাসপার লুইস ইনাসিও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এখনো অন্তত দুজন শ্রমিক খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় আহত কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন অন্তত তিনজন আহত ব্যক্তি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে অবৈধভাবে খনি পরিচালনার ঘটনা নতুন নয়। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকাল বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এসব খনি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকে। অ্যাঙ্গোলার সাম্প্রতিক এই খনি ধস আবারও অবৈধ খনন কার্যক্রম এবং শ্রমিক নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
এআরবি