হোম > বিশ্ব

ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধ: পাল্টা ব্যবস্থা নিতে কতটা সক্ষম ইরান

আল জাজিরার এক্সপ্লেইনার

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দেওয়া দেশের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই বলেছেন, ‘কোনো দেশ যদি আমাদের ওপর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপে অংশ নেয়, তাহ তাকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে।’

তিনি বলেন, প্রথমে কূটনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হবে। তাতে কাজ না হলে তাদের স্বার্থ ও স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে।

ইরান বিশেষভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বাস্তবায়নে সহায়তা করা হলে হরমুজ প্রণালি ছাড়াও বিকল্প পথে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এরইমধ্যে ইরানের ওপর আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে সহায়তা করা দেশগুলোকেও বড়ো ধরনের অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে। বিশেষ করে ইরানের তেলের অন্যতম বড়ো ক্রেতা চীনের ওপরও ওয়াশিংটন চাপ বাড়াচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নতুন কৌশলে আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা এবং বড় ধরনের পাল্টা আঘাতের হুমকি—দুটি বিষয়ই গুরুত্ব পাচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত রাখা।

ক্লিনগেনডেল ইনস্টিটিউটের ইরান বিষয়ক গবেষক হামিদরেজা আজিজি শনিবার এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দেওয়া নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইরানের এই সতর্কবার্তা ‘মূলত একটি চরমপত্র’।

তবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোও কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও ভৌগোলিক কারণে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ হলে তেল রপ্তানি, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নতুন নয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকেই দেশটি বিভিন্ন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলেও ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে আবার কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরবর্তী সময়ে তেল, শিল্প, ধাতু ও ইরানের সামরিক নেতৃত্বের ওপরও নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়।

আরএ

ন্যায্য ও শান্তিপূর্ণ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়তে আগ্রহী ইরান-চীন

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয়, ট্রাম্পের হুমকি নিয়ে আরাগচির কটাক্ষ

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার আশ্বাসেও হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল স্থবির

সিঙ্গাপুরে প্রতিটি শিশুকে ৭০ হাজার ডলার সহায়তা দেবে সরকার

গঙ্গার পানি বাড়ায় ফারাক্কার সব গেট খুলে দিতে বললেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় মিত্ররা

ইরান–সৌদির জন্য যৌথ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব ইরাকের

বিদেশ ভ্রমণে পরিচয় গোপন করেন অধিকাংশ ইসরাইলি নাগরিক

ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতের আহ্বান সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের

পশ্চিম তীরে ‘ই–ওয়ান’ প্রকল্প বন্ধের আহ্বান ইইউর