নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলছে। আজ বৃহস্পতিবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দেবেন বলে কথা রয়েছে। ভাষণে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে জোরালো ভাষায় আক্রমণ করতে পারেন নেতানিয়াহু।
গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানোয় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী বলে উল্লেখ করেছেন ফিলিস্তিনের সমর্থক মামদানি। তবে নেতানিয়াহু এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। মামদানিকে হামাস সমর্থক বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি, যদিও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এটিকে মিথ্যা অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেয়র নির্বাচনের প্রচারে মামদানি বলেছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেবেন। মেয়রের এই হুমকি মাথায় নিয়েই নিউইয়র্কে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু।
নেতানিয়াহুর এবারের নিউইয়র্ক সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পরই তিনি ইসরাইলে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। সফরে কয়েকটি দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানা গেছে।
ইসরাইলের আসন্ন ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে এই সফরকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাবেক ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত মাইকেল ওরেনের মতে, নেতানিয়াহুর জাতিসংঘের ভাষণটি অনেকটা নির্বাচনি প্রচার বক্তব্যের মতো হতে পারে। তিনি মামদানি ও ইরানকে আক্রমণ করে ইসরাইলি ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টা করতে পারেন।
এদিকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক না হওয়াকে নেতানিয়াহুর জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কিছু ইসরাইলি বিশ্লেষক। ইরান যুদ্ধ ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থানও এখন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে।
সূত্র: রয়টার্স
আরএ