হোম > বিশ্ব

আকাশ প্রতিরক্ষায় তুরস্কের দিকে ঝুঁকছে উপসাগরীয় দেশগুলো

আমার দেশ অনলাইন

ইরান ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলো এখন আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে তুরস্কের দিকে ঝুঁকছে। আমেরিকার প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো পর্যাপ্ত অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহে হিমশিম খাওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে আঙ্কারার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াচ্ছে আরব রাষ্ট্রগুলো।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানকে লক্ষ্য করে আমেরিকা ও ইসরাইল হামলা শুরু করে। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা শুরু করে। এতে কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় দেশগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে।

এসব দেশের কাছে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থাকলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার পাশাপাশি ইরানের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা ঠেকাতে তারা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। বিশেষ করে তেহরানের ড্রোনগুলো উন্নত রাডার ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে।

এ পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করছে আরব দেশগুলো। ইতোমধ্যে কয়েকটি উপসাগরীয় রাষ্ট্র তুর্কি অস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আলোচনা ও চুক্তি করেছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ক্রয় পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছেন, ‘উপসাগরীয় দেশগুলো এখন অস্ত্র কেনায় ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা শুধু নতুন প্রযুক্তিই নয়, অঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক বাহিনী কী ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে, সেটিও খতিয়ে দেখছে। এমনকি ঐতিহ্যগতভাবে নিরপেক্ষ ওমানও অস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

সম্প্রতি তুরস্কে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ও অস্ত্র প্রদর্শনী ‘সাহা এক্সপো’-তে উপসাগরীয় দেশগুলোর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে ইরাকের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলি আবদুল্লাহ আল সাবাহ তুরস্কের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার লক্ষ্যে তুর্কি সরকারের সঙ্গে একটি প্রোটোকলে সই করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কুয়েত তুরস্কের বায়কার কোম্পানির তৈরি ‘বায়রাক্তার আকিনচি’ ড্রোন এবং ‘হিসার’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী। হিসার মূলত স্বল্প ও মাঝারি উচ্চতার হুমকি মোকাবিলার জন্য তৈরি। এর আগেও ২০২৩ সালে কুয়েত তুরস্কের কাছ থেকে বায়রাক্তার টিবি-২ ড্রোন কিনেছিল।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প-সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরব এবং কাতারও তুর্কি কোম্পানিগুলোর তৈরি ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে। সূত্রগুলোর দাবি, দুদেশ ইতোমধ্যে ‘করকুত ১০০/২৫’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জন্য তুরস্কের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এছাড়া সাহা এক্সপোতে প্রদর্শিত আরো কয়েকটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিয়েছেন সাড়ে ৫ কোটি মানুষ

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

হরমুজে ৯ দিনে ১১ তেলবাহী জাহাজে আগুন, দাবি ইরানের

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্প হয়ে উঠবেন ‘মিস্টার ভেটো’

ইরানে ফের মার্কিন হামলার প্রস্তুতি, আতঙ্কে উপসাগরীয় মিত্ররা

রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাতে চান আসামের মুখ্যমন্ত্রী

যুদ্ধ চায় না মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ

জাপানের আয়াসোফিয়া মসজিদে দেখা মিলল এরদোয়ান পুত্রের, দিলেন আজানও

উত্তরাখণ্ডে ৮৬ মুসলিম পরিবারের বাড়ি উচ্ছেদ, কংগ্রেস এমপির প্রশ্ন—‘শুধু মুসলিমদের বাড়িই কি অবৈধ’

ফিলিস্তিনিদের নিজেদের আবাসভূমি নিশ্চিত না হলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা আসবে না: জর্ডান