হোম > বিশ্ব

ইসরাইলের কাছে কি পরমাণু অস্ত্র আছে, যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমার দেশ অনলাইন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্রের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন একজন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য। তবে ইসরাইলের কাছে পরমাণু অস্ত্র আছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি রুবিও।

বুধবার কংগ্রেসের শুনানিতে কংগ্রেসম্যান হোয়াকিন কাস্ত্রোকে রুবিও বলেন, বিশ্বের বেশির ভাগ দেশই মনে করে যে ইসরাইলে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। যদিও তিনি ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ে ওয়াশিংটনের নিজস্ব অবস্থান জানাতে অস্বীকার করেন।

এরপর তিনি পরামর্শ দেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগত পরিসরে আলোচনা করা উচিত।

এই কথোপকথন মার্কিন রাজনীতিতে ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার বিরুদ্ধে কয়েক দশক ধরে চলে আসা নিষেধাজ্ঞাকেই তুলে ধরে।

রুবিও স্বীকার করেন যে ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আলোচনা থেকে বিরত থাকা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি ‘বৈশিষ্ট্য’।

কিন্তু কাস্ত্রো চাপ দিতে থাকেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ যুদ্ধে জড়িত। কাজেই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া জরুরি।

কাস্ত্রো বলেন, ‘যদি তাদের সত্যিই পারমাণবিক অস্ত্র থাকে এবং সেই অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের চূড়ান্ত সীমা কী, তা আমরা জানি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আর তাই, আমি এটা ভেবে অবাক হচ্ছি যে, আমাদের সরকার যুদ্ধ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে, বুঝতে এবং তারপর আমাদের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাকে তা দেওয়ার কোনো প্রচেষ্টা করেনি।’

রুবিও বলেন, প্রশ্নটি সঠিক ও ন্যায্য এবং তিনি গোপন পরিসরে এর উত্তর দিতে ইচ্ছুক।

তিনি বলেন, এই বিষয়গুলোতে বিভিন্ন স্বার্থের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। কিন্তু আমি মনে করি, আমরা যদি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সেই জিজ্ঞাসার জবাব দিতে পারতাম, তাহলে সম্ভবত আরো একটি পূর্ণাঙ্গ উত্তর পাওয়া যেত।’

ইসরাইল পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (এনপিটি) স্বাক্ষরকারী দেশ নয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানের ওপর হামলা চালায়। যদিও তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টার কথা অস্বীকার করে আসছে।

ইসরাইল আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেনি, তবে কোনো কোনো ইসরাইলি কর্মকর্তা সেগুলো মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির ঐতিহ্যবিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই এলিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলা ‘একটি বিকল্প’ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন ইসরাইলপন্থি রাজনীতিবিদও ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার জন্য তেল আবিবকে আহ্বান জানিয়েছেন।

গত বছর ট্রাম্পের মিত্র মার্কিন কংগ্রেস সদস্য র‍্যান্ডি ফাইন বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ আদায়ের জন্য আমরা জাপানিদের ওপর দুবার পারমাণবিক হামলা চালিয়েছি। এখানেও একই রকম হওয়া দরকার।’

মে মাসে, কংগ্রেস সদস্য কাস্ত্রো মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে ৩০ জন আইনপ্রণেতার স্বাক্ষরে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং এ বিষয়ে কথা না বলার মার্কিন নীতির বিষয় স্পষ্ট করতে বলা হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাশা কি অতিরিক্ত বেশি

ইসরাইলের সঙ্গে মিলে কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

কলম্বিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনি ধসে নিহত ১৪, নিখোঁজ ১৫

ইসরাইলে সাত বছরে ষষ্ঠ নির্বাচন, কপাল পুড়তে পারে নেতানিয়াহুর

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে ভর্তিতে জাতিগত বৈষম্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

সুদানে ড্রোন হামলায় কয়েক দিনে ১৬০ জনের বেশি নিহত

নির্বাচনি জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে বিরোধী নেতা আইজেনকট

অস্ট্রেলীয় এমপিকে গাড়িচাপা দেওয়া ‘পরিকল্পিত’, বলছে পুলিশ

স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা, ৪ জনের প্রাণহানি

ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন ট্রাম্প: জেলেনস্কি