পর্তুগালের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে শক্তিশীল ঝড় ‘ক্রিস্টিন’-এর আঘাতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে পাঁচজন। ঝড়ের প্রভাবে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুদ্বিচ্ছিন্ন হয়েছে সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি মানুষ। বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ। খবর বিবিসির।
গত কয়েক দিনে একের পর এক ঝড়ের মুখে পড়েছে পর্তুগাল। এর আগে সপ্তাহান্তে আরেকটি ঝড়ে বন্যার পানিতে গাড়ি ভেসে যাওয়ায় একজনের মৃত্যু হয়।
সিভিল প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়। ঝেড়ো বাতাস ও টানা ভারী বৃষ্টিতে দেশজুড়ে ৩ হাজারের বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অনেক মানুষ গাছ বা ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আহত হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ই-রেডেস জানিয়েছে, বুধবার এই ঝড়ের কারণে ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।
সিভিল প্রোটেকশন সংস্থা এএনইপিসি জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লেইরিয়া জেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে একজন ধাতব পাতের আঘাতে নিহত হন, আরেকজন একটি বাড়ির কাঠামোর নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, ভিলা ফ্রাঙ্কা দে শিরা এলাকায় একটি গাছ গাড়ির ওপর পড়লে একজনের মৃত্যু হয়।
মারিনহা গ্রান্দে এলাকায়ও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ঝড়ের কারণে পর্তুগালজুড়ে পরিবহনব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। লিসবন থেকে উত্তরের প্রধান মহাসড়কসহ বহু সড়ক ও রেলপথ ধ্বংসাবশেষে বন্ধ হয়ে গেছে।