পশ্চিমা কর্মকর্তাদের দাবি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা প্রতিহত করতে ইরানকে ড্রোনের একটি চালান পাঠিয়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের ড্রোন প্রযুক্তিও। মূলত ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়াকে সহায়তার জন্য ড্রোনগুলো মস্কোকে দিয়েছিল তেহরান। চলতি সপ্তাহে অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে এ কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার পর এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরান ইসরাইল, তার উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্রমাগত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। যদিও ইরানের নিজস্ব শাহেদ ড্রোনের মজুত রয়েছে। নকশার উন্নতি করেছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সময়। এই ড্রোনের মধ্যে উন্নত নেভিগেশন ক্ষমতা যুক্ত করা রয়েছে।
একজন ইউরোপীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা এপিকে জানান, রাশিয়া থেকে ইরানে ড্রোন স্থানান্তরের বিষয়ে এ মাসে রুশ ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘খুব সক্রিয়’ আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, এই চালান এককালীন নাকি ধারাবাহিক চালানের অংশ, তা স্পষ্ট নয়। এই চালান কতটা গুরুত্বপূর্ণ বা কতগুলো ড্রোন পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেননি। আরেকজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা বলেছেন, অল্পসংখ্যক ড্রোন যুদ্ধের ফলাফলের ওপর বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, তেহরানকে আরো উন্নত ড্রোন দেওয়ার পেছনে মস্কোর উদ্দেশ্যও অস্পষ্ট; কারণ তেহরানে পাঠানো প্রতিটি অস্ত্রই এমন, যা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করতে পারছে না রাশিয়া।