মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করেননি তিনি । বুধবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি তাড়াহুড়ো করছি না। কোনো সময়সূচি নেই, যত সময় লাগে।’
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে এবং দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হামলা—দুটিই কার্যকর হচ্ছে। তবে ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের সংশয় রয়েছে।
আগামী শুক্রবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পূর্ণ হবে। এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে। জুনে দুই দেশ ৬০ দিনের একটি সমঝোতায় পৌঁছালেও সেটির মেয়াদ চলতি মাসের শুরুতে শেষ হয়েছে।
এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত বিভিন্ন দেশের ৬০টি প্রতিষ্ঠান ও সত্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। জবাবে ইরান এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। দেশটির মুদ্রা রিয়ালের রেকর্ড দরপতন হয়েছে। ব্যাপকভাবে বেড়েছে খাদ্য, মুরগির মাংস ও রান্নার তেলের দাম ।
বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা ইরানের জনগণের ওপর বড়ো ধরনের অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করলেও তা দেশটির নীতিতে পরিবর্তন এনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফিরতে বাধ্য করবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
আরএ