দক্ষিণ লেবাননের শেবা মালভূমি ও ওয়াদি আল-সালুকি এলাকায় বড় আকারের অভিযান শুরু করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এলা ওয়াওয়েয়া বলেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করা। এর মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননে আভিযানিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হবে এবং ফিঙ্গার অব দ্য গ্যালিলি ও মেতুলা বসতির ওপর থেকে সরাসরি হুমকি দূর করা হবে বলেও জানান তিনি।
ওয়াওয়েয়া বলেন, স্থলবাহিনী নিয়ে কয়েক দিন আগেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। সেনারা সম্মুখ প্রতিরক্ষা রেখা সম্প্রসারণের জন্য একটি আক্রমণাত্মক অভিযান চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, ইসরাইলি বাহিনী লিতানি নদী পার হয়ে নদীর উত্তরে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণ প্রসারিত করেছে, একই সঙ্গে অভিযান আরো নতুন এলাকায় সম্প্রসারিত হচ্ছে।
ওয়াওয়েয়া বলেন, ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিয়ার আশপাশে অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রমণ সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি সেনারা নাবাতিয়া শহর ঘিরে ফেলার চেষ্টা করছে। তারা ভারি বোমাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে অন্যান্য শহরের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।
শুরু থেকেই ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ সেক্টরে ব্যাপক হামলা চালিয়ে আসছে। লেবাননের সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলকে সংঘাতপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে থাকা সবাইকে জাহরানি নদীর উত্তরে চলে যেতে সতর্ক করেছে ইসরাইল। এতে ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট আরো তীব্র হচ্ছে। ইসরাইলি আগ্রাসনে দেশটিতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ