তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক নির্বাচনি রাত পার করার পর রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে শুরু হয়েছে আত্মসমালোচনা এবং একে অপরের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা।
সারাদেশের ভোটাররা তাদের ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিচার হবে এই নির্বাচনে।
এখন তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কিছু মিত্র সেই সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা হেরেছি যুদ্ধের কারণে। আর এখান থেকে আমাদের কোথায় যাওয়া উচিত, সে বিষয়ে যেকোনো সৎ আলোচনা সেখান থেকেই শুরু হতে হবে।’
হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুমের নির্মাণস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প অনিচ্ছাসত্ত্বেও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সুযোগ পেলে তিনি কোনো কিছুই ভিন্নভাবে করতেন না। তিনি বলেন, ‘আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারেন না।’
অনেকেই ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘোষণার একটি অনানুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে দেখছেন।
এই ফলাফলকে আরও দেখা হচ্ছে এমন একটি ইঙ্গিত হিসেবে যে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন (মাগা)’ আন্দোলনের সমাপ্তির সূচনা হয়তো যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষ করছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
আরএ