হোম > বিশ্ব

গাজায় স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সকে এক পাক্ষিক না হওয়ার আহ্বান কাতারের

আতিকুর রহমান নগরী

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় গাজায় মোতায়েনের প্রস্তাবিত কোনো স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (স্থিতিশীলতা বাহিনী) যেন এক পক্ষকে রক্ষা করে অন্য পক্ষের ক্ষতি না করে।

বুধবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর কাতারভিত্তিক আল জাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। শেখ মোহাম্মদ জানান, গাজায় বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে কাতার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সতর্ক করেছে যে এ ধরনের লঙ্ঘন মধ্যস্থতাকারীদের ‘বিব্রতকর অবস্থায়’ ফেলছে।

তিনি বলেন, “আমরা গাজায় এমন কোনো স্থিতিশীলতা বাহিনী চাই না, যা এক পক্ষকে রক্ষা করবে আরেক পক্ষের বিনিময়ে।”

কাতারের প্রধানমন্ত্রী জানান, গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছাতে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে “প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করার” বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনি বলেন, পরবর্তী ধাপে রূপান্তরের জন্য একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরিতে মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।

শেখ মোহাম্মদ আরও বলেন, কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় গাজার মানবিক পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি পুনরায় গাজায় “নির্বিঘ্ন ও শর্তহীনভাবে” মানবিক সহায়তা প্রবেশের আহ্বান জানান।

তিনি সতর্ক করে বলেন, “গাজায় বর্তমান পরিস্থিতি প্রতিদিনই এই চুক্তিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে পুরো যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে।’’

এসআর

সিরিয়ার আসাদপন্থি ‘ব্যারেল বোমা মুফতি’ খ্যাত হাসুনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যুদ্ধবিরতির মাঝেই গাজায় হামাস যোদ্ধাকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

২০ বছর আগে পদাবনতি, গ্রহের মর্যাদা আবার কি ফিরে পাবে প্লুটো

‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করছে বিজেপি সরকার, ফের রাস্তায় নামছে ককরোচ পার্টি

৪৫ ট্যাংকারকে কালো তালিকাভুক্ত করল ইরান

ইউক্রেনকে ৬১০ কোটি ইউরোর নতুন প্রতিরক্ষা সহায়তা অনুমোদন ইইউর

ইরানভীতিকে কাজে লাগিয়ে আরব দেশগুলোর কোষাগার খালি করছে আমেরিকা

আগ্রাসী শর্তের ভিত্তিতে যুদ্ধের সমাপ্তি হতে দেবে না ইরান

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে পতনের দ্বারপ্রান্তে ইসরাইল: সাবেক জেনারেল

ভারতে গোয়ালঘরে স্কুল দেখতে গিয়ে হামলার শিকার ককরোচ পার্টি